বাংলাদেশেও প্রভাব: ডিজিটাল ইউটিলিটি বাজার ২০৩২ সালে ৬৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে
বৈশ্বিক ডিজিটাল ইউটিলিটি বাজারের আকার 2025 সালে 249 বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। স্মার্ট গ্রিড, AI ও IoT-এর সম্প্রসারণ 2032 সালের মধ্যে বাজারটিকে 660 বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে দেবে বলে এক নতুন প্রতিবেদনে জানিয়েছে dev.to AI।
বৈশ্বিক ডিজিটাল ইউটিলিটি বাজারের আকার 2025 সালে 249 বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। স্মার্ট গ্রিড, AI ও IoT-এর সম্প্রসারণ 2032 সালের মধ্যে বাজারটিকে 660 বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে দেবে বলে এক নতুন প্রতিবেদনে জানিয়েছে dev.to AI।
বিশ্বজুড়ে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস ব্যবস্থাপনা দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। dev.to AI-এর এক নতুন শিল্প প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক ডিজিটাল ইউটিলিটি বাজার 2025 সালে 249.04 বিলিয়ন ডলার মূল্যে পৌঁছেছে। এই বাজার 2026 সালে 277.55 বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 2032 সালের মধ্যে এটি 660.66 বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এই দ্রুত বৃদ্ধির পেছনে মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে স্মার্ট গ্রিড স্থাপনা। স্মার্ট গ্রিড হলো এমন একটি বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক যা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। এর পাশাপাশি অ্যাডভান্সড মিটারিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার বা AMI-র ব্যবহার বেড়েছে। AMI স্মার্ট মিটার ব্যবহার করে বাস্তব সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য সংগ্রহ করে।
প্রতিবেদনটি আরও বলছে, ইউটিলিটি কোম্পানিগুলো ডিজিটাল রূপান্তরে বিপুল বিনিয়োগ করছে। তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI, ইন্টারনেট অব থিংস বা IoT এবং ক্লাউড প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রিড পরিচালনা ও ভোক্তা সেবা উন্নত করছে। AI গ্রিডে সমস্যা পূর্বাভাস দিতে এবং লোড ম্যানেজমেন্টে সাহায্য করে। IoT সেন্সর ও ডিভাইসগুলো রিয়েল-টাইম ডেটা সরবরাহ করে। ক্লাউড সেই ডেটা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য স্কেলেবল প্ল্যাটফর্ম দেয়।
বাংলাদেশের জন্যও এই প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। দেশের বিদ্যুৎ বিভাগ ইতিমধ্যে স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার স্থাপন শুরু করেছে। সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তরের অংশ হিসেবে স্মার্ট গ্রিড তৈরির পরিকল্পনা করছে। এই বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ বাংলাদেশি প্রযুক্তি কোম্পানি, ডেভেলপার ও স্টার্টআপদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। তারা স্থানীয় ইউটিলিটি সেক্টরে AI ও IoT-ভিত্তিক সমাধান সরবরাহ করতে পারবে।
ডিজিটাল ইউটিলিটি বাজারের এই অগ্রযাত্রা টেকসই ও দক্ষ শক্তি ব্যবস্থাপনার দিকে একটি বড় পদক্ষেপ। স্মার্ট প্রযুক্তির খরচ কমার সঙ্গে সঙ্গে আরও দেশ এই রূপান্তরে যোগ দেবে। ভবিষ্যতে ইউটিলিটি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...