মোবাইল এআই বাজার ২০৩৫ সালে ৩২২ বিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের সুযোগ
বিশ্বব্যাপী মোবাইল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজার আগামী দশকে বিপুল গতিতে বাড়বে। SNS Insider-এর নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বাজারের আকার ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩২২.২১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। স্মার্টফোনে এআই চিপ ও অ্যাপ্লিকেশনের চাহিদা এই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি।
বিশ্বব্যাপী মোবাইল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজার আগামী দশকে বিপুল গতিতে বাড়বে। SNS Insider-এর নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বাজারের আকার ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩২২.২১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। স্মার্টফোনে এআই চিপ ও অ্যাপ্লিকেশনের চাহিদা এই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি।
মোবাইল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজার বিশ্বব্যাপী অভূতপূর্ব গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। SNS Insider প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বাজার ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩২২.২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি ইয়াহু ফিন্যান্সে এই পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে।
এই পরিসংখ্যান মোবাইল প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে। স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও অন্যান্য পোর্টেবল ডিভাইসে এআই-চালিত ফিচারের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, ইমেজ প্রসেসিং ও রিয়েল-টাইম ট্রান্সলেশনের মতো কাজগুলো এখন মোবাইল ডিভাইসেই দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে।
প্রতিবেদনটি মোবাইল এআই বাজারের দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে। বর্তমানে এই বাজারের আকার কয়েক বিলিয়ন ডলার হলেও আগামী ১০ বছরে তা প্রায় ১০ গুণ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এআই চিপ নির্মাতা কোম্পানিগুলো যেমন কোয়ালকম ও মিডিয়াটেক ইতিমধ্যেই শক্তিশালী প্রসেসর বাজারে এনেছে। এই চিপগুলো মোবাইল ডিভাইসে জটিল এআই কাজ দ্রুত করতে সক্ষম।
বাংলাদেশের জন্যও এই খবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের তরুণ ডেভেলপার ও ফ্রিল্যান্সাররা মোবাইল এআই অ্যাপ তৈরি করে বিশ্ববাজারে অংশ নিতে পারেন। স্থানীয় স্টার্টআপগুলোর জন্য এআই-ভিত্তিক মোবাইল সেবা চালু করার সুযোগ তৈরি হবে। শিক্ষার্থীরাও মোবাইল এআই নিয়ে গবেষণা ও ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হতে পারে।
স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সরাসরি এই প্রযুক্তির সুবিধা পাবেন। ক্যামেরার ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে উন্নত করা, ব্যাটারির ব্যবহার অপ্টিমাইজ করা এবং ব্যক্তিগত সহায়ক আরও বুদ্ধিমান হয়ে উঠবে। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও ই-কমার্সের মতো খাতেও মোবাইল এআই বিপ্লব ঘটাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
বাজারের এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে আরও উন্নত সমাধান নিয়ে আসতে হবে। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সামগ্রিকভাবে মোবাইল এআই শিল্পের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews AI Global
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...