২০৩১ সালে স্বাস্থ্যসেবায় AI বাজার ১৯৪.৭৯ বিলিয়ন ডলার, জানুন কী লাভ হবে বাংলাদেশের
বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজার ২০৩১ সালের মধ্যে ১৯৪.৭৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। MarketsandMarkets-এর নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় AI টুলের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজার ২০৩১ সালের মধ্যে ১৯৪.৭৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। MarketsandMarkets-এর নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় AI টুলের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। MarketsandMarkets-এর এক নতুন প্রতিবেদন জানিয়েছে, এই বাজার ২০৩১ সালের মধ্যে ১৯৪.৭৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। বর্তমানে এই বাজারের আকার অনেক ছোট হলেও আগামী কয়েক বছরে এটি ব্যাপক হারে বাড়বে।
প্রতিবেদনটি বলছে, AI টুল এখন রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে চিকিৎসা পরিকল্পনা পর্যন্ত সব জায়গায় ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে মেশিন লার্নিং এবং ডিপ লার্নিং মডেল ডাক্তারদের দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করছে। এর ফলে রোগীদের চিকিৎসার মান বাড়ছে এবং সময় বাঁচছে।
বাজারের এই বৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো রেডিওলজি, প্যাথলজি এবং জিনোমিক্সের মতো জটিল ক্ষেত্রে AI ব্যবহার করছে। দ্বিতীয়ত, AI চালিত পরিধানযোগ্য ডিভাইস ও স্বাস্থ্য মনিটরিং সিস্টেমের চাহিদা বেড়েছে। তৃতীয়ত, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো খরচ কমানোর জন্য AI সমাধান গ্রহণ করছে।
রোগ নির্ণয়ের টুলগুলোর মধ্যে ইমেজিংয়ে AI সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে। এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও এক্স-রে বিশ্লেষণে AI মডেল মানুষের চেয়ে দ্রুত এবং কিছু ক্ষেত্রে বেশি নির্ভুল। চিকিৎসার ক্ষেত্রে AI রোবোটিক সার্জারি এবং ব্যক্তিগতকৃত ওষুধ তৈরিতে সহায়তা করছে।
বাংলাদেশের জন্যও এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে AI ব্যবহার শুরু হয়েছে। কিছু বেসরকারি হাসপাতাল ইতিমধ্যে রোগ নির্ণয়ে AI টুল ব্যবহার করছে। সরকারও ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা প্রসারে কাজ করছে। তবে বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ হলো সাশ্রয়ী AI সমাধান তৈরি করা। স্থানীয় স্টার্টআপ ও গবেষকরা কম খরচে AI টুল বানাতে পারেন। এর মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকার মানুষও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে।
ভবিষ্যতে AI স্বাস্থ্যসেবাকে আরও স্মার্ট ও সহজলভ্য করবে। MarketsandMarkets-এর এই পূর্বাভাস দেখায় যে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের জন্য এটি একটি বড় ক্ষেত্র। বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ও ডেভেলপারদের এই দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews AI Global
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...