Stereo2Spatial AI দিয়ে পুরনো গান শুনবেন 3D সাউন্ডে, এখনই চেষ্টা করুন
একটি নতুন AI মডেল Stereo2Spatial সাধারণ স্টিরিও মিউজিক ট্র্যাককে 3D স্পেশাল বাইনোরাল মিক্সে রূপান্তর করতে পারে। এটি ফ্লো-ম্যাচিং ডিফিউশন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে, যার ফলে পুরনো গানও নতুন করে শোনার মতো হয়।
একটি নতুন AI মডেল Stereo2Spatial সাধারণ স্টিরিও মিউজিক ট্র্যাককে 3D স্পেশাল বাইনোরাল মিক্সে রূপান্তর করতে পারে। এটি ফ্লো-ম্যাচিং ডিফিউশন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে, যার ফলে পুরনো গানও নতুন করে শোনার মতো হয়।
একজন গবেষক প্রায় 6 মাসের প্রচেষ্টায় একটি নতুন ডিফিউশন মডেল প্রকাশ করেছেন যা যেকোনো স্টিরিও মিউজিক ট্র্যাককে স্পেশালাইজড বাইনোরাল মিক্সে রূপান্তর করতে পারে। মডেলটির নাম Stereo2Spatial এবং এটি Reddit-এর MachineLearning ফোরামে প্রথম প্রকাশিত হয়েছে।
এই মডেলটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে কারণ বর্তমানে বিদ্যমান বেশিরভাগ মিউজিকের জন্য মানসম্পন্ন স্পেশাল মিক্স নেই। স্পেশাল অডিও বা 3D অডিও এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে শব্দ চারপাশ থেকে আসে, যেমন সিনেমা হলে বা ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে। কিন্তু অধিকাংশ পুরনো গান শুধু দুই চ্যানেলের স্টিরিও ফরম্যাটে রয়েছে।
Stereo2Spatial এই সমস্যার সমাধান করেছে একটি বিশেষ ফ্লো-ম্যাচিং ডিফিউশন মডেল ব্যবহার করে। এটি একটি আলাদাভাবে প্রশিক্ষিত VAE (ভেরিয়েশনাল অটোএনকোডার) এর ল্যাটেন্ট স্পেসে কাজ করে। এই VAE টি EAR-VAE নামে পরিচিত এবং এটি অডিও ডেটাকে কম্প্রেস করে একটি ছোট ল্যাটেন্ট রিপ্রেজেন্টেশনে রূপান্তর করে।
মডেলটি প্রথমে স্টিরিও ইনপুটকে EAR-VAE দিয়ে এনকোড করে একটি ল্যাটেন্ট তৈরি করে। এরপর এটি 7.1.4 চ্যানেলের আউটপুটের প্রতিটি চ্যানেলের জন্য আলাদাভাবে ল্যাটেন্ট তৈরি করে। 7.1.4 ফরম্যাট মানে 7 টি স্পিকার, 1 টি সাবউফার এবং 4 টি সিলিং স্পিকার। এই জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মডেলটি শিখে যায় কীভাবে স্টিরিও থেকে স্পেশাল অডিও তৈরি করতে হয়।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও সঙ্গীত জগতের জন্য এই মডেলটি বড় সম্ভাবনা নিয়ে আসতে পারে। স্থানীয় মিউজিক প্রযোজক এবং ফ্রিল্যান্স অডিও ইঞ্জিনিয়াররা এই মডেল ব্যবহার করে পুরনো বাংলা গানগুলোকে আধুনিক স্পেশাল অডিও ফরম্যাটে রূপান্তর করতে পারবেন। এটি পডকাস্ট, ভিডিও গেম এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কন্টেন্ট তৈরিতেও কাজে লাগবে। তবে মডেলটি এখনও গবেষণা পর্যায়ে রয়েছে এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য আরও পরীক্ষার প্রয়োজন।
ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আরও সহজলভ্য হলে সাধারণ ব্যবহারকারীরাও নিজেদের পছন্দের গানকে 3D অডিওতে শোনার সুযোগ পাবেন। গবেষক জানিয়েছেন, তিনি মডেলটি ওপেন সোর্স হিসেবে প্রকাশ করার পরিকল্পনা করছেন, যাতে অন্য ডেভেলপাররাও এটি ব্যবহার করে নতুন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Reddit r/MachineLearning
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...