HSBC-এর CEO বললেন, AI চাকরি কমাবে কিন্তু নতুন সুযোগও তৈরি করবে
HSBC-এর প্রধান নির্বাহী জর্জেস এলহেডেরি বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিছু ভূমিকা সরিয়ে ফেলবে, তবে উৎপাদনশীলতা লাভ পুনর্বিনিয়োগ করে নতুন চাকরি তৈরি করা সম্ভব। তিনি AI-চালিত বিনিয়োগের মাধ্যমে উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জনের গতি বাড়াতে চান। Bloomberg-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
HSBC-এর প্রধান নির্বাহী জর্জেস এলহেডেরি বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিছু ভূমিকা সরিয়ে ফেলবে, তবে উৎপাদনশীলতা লাভ পুনর্বিনিয়োগ করে নতুন চাকরি তৈরি করা সম্ভব। তিনি AI-চালিত বিনিয়োগের মাধ্যমে উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জনের গতি বাড়াতে চান। Bloomberg-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ব্যাংক HSBC-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) জর্জেস এলহেডেরি বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কিছু নির্দিষ্ট ভূমিকা সরিয়ে ফেলবে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, AI-এর মাধ্যমে অর্জিত উৎপাদনশীলতা লাভ পুনর্বিনিয়োগ করলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। Bloomberg-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এলহেডেরি বলেন, “আমি ভবিষ্যতের জন্য আমাদের অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যকে ত্বরান্বিত করতে এবং সামনে আনতে চাই।” তিনি উল্লেখ করেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিনিয়োগ প্রয়োজন এবং সেই বিনিয়োগই নতুন চাকরি সৃষ্টি করবে। অর্থাৎ AI শুধু চাকরি ধ্বংস করবে না, বরং সঠিকভাবে ব্যবহার করলে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করবে।
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন বিশ্বব্যাপী AI-এর প্রভাবে চাকরি হারানোর আশঙ্কা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, AI অটোমেশন অনেক ঐতিহ্যবাহী চাকরি অপ্রয়োজনীয় করে দেবে। কিন্তু এলহেডেরি ভিন্ন একটি দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে AI-এর ব্যবহার উৎপাদনশীলতা বাড়াবে এবং সেই সাশ্রয়ী সময় ও অর্থ নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ করে আরও বেশি মানুষকে কাজে লাগানো সম্ভব।
HSBC ইতিমধ্যেই গ্রাহকসেবা, জালিয়াতি সনাক্তকরণ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় AI ব্যবহার করছে। এলহেডেরি মনে করেন, এই প্রযুক্তি আরও বিস্তৃত করা গেলে ব্যাংকের কর্মক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, AI-কে শুধু খরচ কমানোর হাতিয়ার হিসেবে নয়, বরং ব্যবসা সম্প্রসারণের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে দেখতে হবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ব্যাংকিং খাত ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো AI গ্রহণ করছে। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে কিছু স্বয়ংক্রিয় কাজ যেমন ডেটা এন্ট্রি বা কল সেন্টারের কিছু কাজ কমে যেতে পারে। কিন্তু অন্যদিকে, AI বিশেষজ্ঞ, ডেটা সায়েন্টিস্ট এবং মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ারের মতো নতুন পেশার চাহিদা বাড়বে। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।
এলহেডেরির মতে, AI-এর যুগে মানুষের বিচারবুদ্ধির (human judgment) কোনো বিকল্প নেই। AI ডেটা বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু জটিল সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য মানুষের অভিজ্ঞতা ও নৈতিকতা প্রয়োজন। তাই ভবিষ্যতে AI এবং মানুষের মধ্যে একটি সমন্বয় গড়ে উঠবে, যেখানে AI কাজ করবে সহায়ক হিসেবে এবং মানুষ নেবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
সব মিলিয়ে, HSBC-এর CEO-এর এই বক্তব্য AI-কে ভয় না পেয়ে কাজে লাগানোর একটি ইতিবাচক বার্তা দেয়। প্রযুক্তির এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং দক্ষতা বাড়ানোই হবে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...