গোল্ডম্যান স্যাকসের সিইও বললেন, AI চাকরি নেবে না, কর্মীরা মানিয়ে নেবে
গোল্ডম্যান স্যাকসের প্রধান নির্বাহী ডেভিড সলোমন দাবি করেছেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাপক বেকারত্ব সৃষ্টি করবে না। তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসে একটি প্রবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীবাহিনীর অভিযোজন ক্ষমতার ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন।
গোল্ডম্যান স্যাকসের প্রধান নির্বাহী ডেভিড সলোমন দাবি করেছেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাপক বেকারত্ব সৃষ্টি করবে না। তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসে একটি প্রবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীবাহিনীর অভিযোজন ক্ষমতার ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন।
গোল্ডম্যান স্যাকসের প্রধান নির্বাহী ডেভিড সলোমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিপরীতে সরব হয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে AI ব্যাপক বেকারত্ব সৃষ্টি করবে না। বরং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীবাহিনী এই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম।
সলোমনের এই মন্তব্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে ২০২৬ সালের ২২ মে প্রকাশিত একটি অতিথি প্রবন্ধে স্থান পেয়েছে। তিনি সেখানে AI নিয়ে ভীতির পরিবর্তে বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সময় কর্মীরা সবসময়ই নতুন দক্ষতা অর্জন করে এসেছে।
এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ বিশ্বের শীর্ষ বিনিয়োগ ব্যাংকগুলোর একটি গোল্ডম্যান স্যাকস। তাদের সিইওর এই অবস্থান AI নিয়ে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনেক বিশেষজ্ঞ আগে সতর্ক করেছিলেন যে AI লক্ষ লক্ষ চাকরি প্রতিস্থাপন করতে পারে।
সলোমন তার প্রবন্ধে ইতিহাসের উদাহরণ টেনেছেন। শিল্প বিপ্লব থেকে শুরু করে ইন্টারনেটের আবির্ভাব পর্যন্ত প্রতিটি বড় প্রযুক্তিগত পরিবর্তনেই কর্মীবাহিনী নতুন পথ খুঁজে নিয়েছে। তিনি মনে করেন AI সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে পরিবর্তন দ্রুত হচ্ছে এবং কিছু পেশায় চাপ পড়বে। তার মতে, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও নমনীয় করে তুলতে হবে। কোম্পানিগুলোকেও কর্মীদের পুনঃদক্ষতা অর্জনে সহায়তা করতে হবে।
বাংলাদেশের জন্যও এই বার্তা প্রাসঙ্গিক। দেশের ফ্রিল্যান্সার ও আইটি পেশাজীবীরা ইতিমধ্যে AI টুল ব্যবহার করছেন। ChatGPT, GitHub Copilot বা বিভিন্ন অটোমেশন সফটওয়্যার তাদের কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে। সলোমনের মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে এই পরিবর্তনকে ভয় না পেয়ে মানিয়ে নেওয়াই উত্তম।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবীদের এখন থেকেই AI সম্পর্কে মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা জরুরি। ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং এবং প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিষয়গুলো ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। একই সঙ্গে সমালোচনামূলক চিন্তা ও সৃজনশীলতার মতো মানবিক দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।
গোল্ডম্যান স্যাকসের সিইওর এই বক্তব্য AI নিয়ে চলমান উদ্বেগকে কিছুটা প্রশমিত করতে পারে। তবে এটি কর্মীবাহিনী ও নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা: প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রস্তুতি নিতেই হবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Daily Star Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...