গোল্ডম্যান স্যাকস বলছে AI বুমে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের আয় ৩ গুণ বাড়ার সম্ভাবনা
গোল্ডম্যান স্যাকসের শীর্ষ নির্বাহী ক্রিস্টিনা মিনিস বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগের ঢেউ একটি মৌলিক ও প্রজন্মগত ঘটনা। তিনি নিউ ইয়র্কে ব্লুমবার্গ গ্লোবাল ক্রেডিট ফোরামে এই মন্তব্য করেন। এই বিনিয়োগ বাজার চালাচ্ছে এবং পুরো অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে।
গোল্ডম্যান স্যাকসের শীর্ষ নির্বাহী ক্রিস্টিনা মিনিস বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগের ঢেউ একটি মৌলিক ও প্রজন্মগত ঘটনা। তিনি নিউ ইয়র্কে ব্লুমবার্গ গ্লোবাল ক্রেডিট ফোরামে এই মন্তব্য করেন। এই বিনিয়োগ বাজার চালাচ্ছে এবং পুরো অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে।
গোল্ডম্যান স্যাকসের শীর্ষ নির্বাহী ক্রিস্টিনা মিনিস বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগের বর্তমান ঢেউ একটি মৌলিক ও প্রজন্মগত শক্তি হিসেবে কাজ করছে। তিনি নিউ ইয়র্কে ব্লুমবার্গ গ্লোবাল ক্রেডিট ফোরামে ব্লুমবার্গ নিউজের ডেভিড শিগলুজ্জোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন। তার মতে, এই বিনিয়োগ শুধু শেয়ারবাজারকেই চালিত করছে না বরং পুরো অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়ছে।
মিনিসের এই মন্তব্য বিশ্বব্যাপী AI খাতে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রবাহিত হচ্ছে তার একটি স্বীকৃতি। গত দুই বছরে OpenAI, Google, Microsoft এবং Meta এর মতো কোম্পানিগুলো AI মডেল তৈরিতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এই ব্যয়ের একটি বড় অংশ গিয়েছে ডেটা সেন্টার নির্মাণ এবং বিশেষায়িত চিপ কেনার পেছনে।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিনিয়োগের প্রভাব সরাসরি প্রযুক্তি খাতের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ছে। নির্মাণ কোম্পানি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো AI চাহিদা থেকে উপকৃত হচ্ছে। গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষকরা আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে AI-সম্পর্কিত অবকাঠামো বিনিয়োগ 2025 সালের মধ্যে ২০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
বাংলাদেশের জন্যও এই খবর অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। দেশের ফ্রিল্যান্সার, সফটওয়্যার ডেভেলপার এবং স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতারা AI সরঞ্জাম ব্যবহার করে তাদের কাজের গতি ও মান উন্নত করতে পারছেন। উদাহরণস্বরূপ, ChatGPT বা GitHub Copilot ব্যবহার করে একজন ডেভেলপার আগের চেয়ে অনেক দ্রুত কোড লিখতে পারছেন। একইভাবে, গ্রাফিক ডিজাইনাররা Midjourney বা DALL-E ব্যবহার করে দ্রুত ডিজাইন তৈরি করতে পারছেন।
তবে এই সুযোগের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশ্বব্যাপী AI বিনিয়োগের এই ঢেউ থেকে বাংলাদেশকে উপকৃত হতে হলে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে। সরকার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত AI এবং ডেটা সায়েন্স বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া। অন্যথায়, এই প্রযুক্তিগত বিপ্লব থেকে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে।
গোল্ডম্যান স্যাকসের নির্বাহীর মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, AI বুম কোনো অস্থায়ী প্রবণতা নয় বরং একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তনের সূচনা। যেসব কোম্পানি এবং দেশ এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে তারাই আগামী দশকের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে। বাংলাদেশের জন্য এখনই সময় নিজেদের প্রস্তুত করার।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...