Anthropic-এর ক্লড এখন জলবায়ু বাঁচাতেও কাজ করবে, জানুন কী লাভ
ক্লড চ্যাটবটের নির্মাতা Anthropic কার্বন অপসারণ জোট Frontier-এ যোগ দিয়েছে। প্রথম AI স্টার্টআপ হিসেবে এই উদ্যোগে অংশ নিয়ে তারা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে।
ক্লড চ্যাটবটের নির্মাতা Anthropic কার্বন অপসারণ জোট Frontier-এ যোগ দিয়েছে। প্রথম AI স্টার্টআপ হিসেবে এই উদ্যোগে অংশ নিয়ে তারা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে।
Anthropic, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কোম্পানি যারা ক্লড চ্যাটবট তৈরি করেছে, তারা কার্বন অপসারণ জোট Frontier-এ যোগ দিচ্ছে। এই জোটটি বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সমর্থনে গঠিত। প্রথম AI-কেন্দ্রিক স্টার্টআপ হিসেবে এই উদ্যোগে অংশ নিচ্ছে তারা।
Frontier একটি জোট যা কার্বন ডাই অক্সাইড সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে অপসারণের প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করে। এই জোটের সদস্যরা কার্বন অপসারণ প্রযুক্তি কিনে সেই বাজার তৈরি করতে সাহায্য করে। ডেইলি স্টার টেক জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে Anthropic জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবদান রাখতে চায়।
Anthropic-এর এই পদক্ষেপ তাদের পরিবেশগত দায়বদ্ধতার অংশ। কোম্পানিটি দীর্ঘদিন ধরে AI নিরাপত্তা ও নৈতিকতা নিয়ে কাজ করছে। কার্বন অপসারণে বিনিয়োগ করে তারা তাদের কার্বন পদচিহ্ন কমাতে চায়। AI সিস্টেম চালানোর জন্য প্রচুর শক্তি প্রয়োজন হয়। এই শক্তির উৎপাদন প্রায়ই কার্বন নিঃসরণ করে।
অন্যান্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানি যেমন স্ট্রাইপ, মাইক্রোসফট, এবং শপিফাই ইতিমধ্যেই Frontier-এর সদস্য। তারা ২০২২ সালে এই জোট গঠন করে। তখন থেকে তারা বিভিন্ন কার্বন অপসারণ প্রযুক্তিতে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে সরাসরি বায়ু ক্যাপচার, বায়োচার, এবং খনিজীকরণের মতো পদ্ধতি।
বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার, এবং প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের জন্য এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। AI প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে এর পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে সচেতনতা বাড়ছে। বাংলাদেশের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর উপায় খুঁজছে। আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগ তাদের জন্য একটি উদাহরণ হতে পারে। স্থানীয় স্টার্টআপগুলোও ভবিষ্যতে এই ধরনের জোটে অংশ নিতে আগ্রহী হতে পারে।
এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে AI কোম্পানিগুলো শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, পরিবেশ সুরক্ষায়ও বিনিয়োগ করছে। ভবিষ্যতে আরও AI স্টার্টআপ Frontier-এর মতো জোটে যোগ দিতে পারে। কার্বন অপসারণ প্রযুক্তির বাজার বাড়লে তার খরচও কমবে। এটি বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি ইতিবাচক দিক।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Daily Star Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...