৪০০ মিলিয়ন ডলার পেল Chai Discovery, ওষুধ আবিষ্কারে AI বিপ্লব শুরু
Chai Discovery 400 মিলিয়ন ডলারের সিরিজ C ফান্ডিং পেয়েছে। কোম্পানিটির মূল্যায়ন এখন 3.8 বিলিয়ন ডলার। তাদের AI মডেল ওষুধ আবিষ্কারের প্রক্রিয়াকে বদলে দিচ্ছে।
Chai Discovery 400 মিলিয়ন ডলারের সিরিজ C ফান্ডিং পেয়েছে। কোম্পানিটির মূল্যায়ন এখন 3.8 বিলিয়ন ডলার। তাদের AI মডেল ওষুধ আবিষ্কারের প্রক্রিয়াকে বদলে দিচ্ছে।
ওষুধ আবিষ্কারের জগতে এক বড় পরিবর্তন আসছে। সান ফ্রান্সিসকো ভিত্তিক স্টার্টআপ Chai Discovery 400 মিলিয়ন ডলারের সিরিজ C ফান্ডিং সংগ্রহ করেছে। এই বিনিয়োগের ফলে কোম্পানিটির মূল্যায়ন দাঁড়িয়েছে 3.8 বিলিয়ন ডলারে।
এই ফান্ডিং রাউন্ডের নেতৃত্ব দিয়েছে Index Ventures। তাদের সাথে যোগ দিয়েছে Kleiner Perkins, Sequoia Capital এবং Dimension। এই বিনিয়োগকারীদের তালিকা দেখে বোঝা যায় যে শিল্পের বড় খেলোয়াড়রা AI ভিত্তিক ওষুধ আবিষ্কারের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই আশাবাদী। মাত্র সাত মাস আগেও কোম্পানিটির মূল্যায়ন ছিল এর এক তৃতীয়াংশ।
Chai Discovery-র মূল প্রযুক্তি হল তাদের AI মডেল। এই মডেলগুলো অণুগুলোর মধ্যে মিথস্ক্রিয়া পূর্বাভাস দিতে পারে এবং সেগুলোকে পুনরায় প্রোগ্রাম করতে পারে। সহজ ভাষায় বললে, এই AI জানতে পারে কোন অণু রোগের সাথে লড়াই করতে পারে এবং কীভাবে সেগুলোকে আরও কার্যকর করা যায়। তাদের Chai-1 এবং Chai-2 মডেল ইতিমধ্যেই ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট Eli Lilly এবং Novartis ব্যবহার করছে।
ওষুধ আবিষ্কারের প্রক্রিয়া অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। একটি ওষুধ বাজারে আসতে গড়ে 10 থেকে 15 বছর সময় লাগে এবং খরচ হয় বিলিয়ন ডলার। Chai Discovery-র AI এই সময় এবং খরচ উভয়ই কমিয়ে আনতে পারে। AI মডেলগুলো লাখ লাখ সম্ভাব্য অণু কম্পিউটারে পরীক্ষা করতে পারে। শুধুমাত্র সবচেয়ে কার্যকর অণুগুলোই ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়।
এই প্রযুক্তি বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বাংলাদেশে ওষুধ শিল্প একটি বড় খাত। দেশীয় কোম্পানিগুলো জেনেরিক ওষুধ তৈরি করে। কিন্তু নতুন ওষুধ আবিষ্কারের সক্ষমতা এখনও সীমিত। Chai Discovery-র মতো AI টুলস ব্যবহার করে বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো নিজেদের গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষমতা বাড়াতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এবং শিক্ষার্থীরাও এই প্রযুক্তি থেকে উপকৃত হতে পারে।
তবে এই প্রযুক্তি এখনও প্রি-ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে আছে। মানুষের ওপর পরীক্ষার আগে আরও অনেক কাজ বাকি। তবুও এই বিনিয়োগ প্রমাণ করে যে বিনিয়োগকারীরা AI ভিত্তিক ওষুধ আবিষ্কারের সম্ভাবনায় বিশ্বাস করে। Chai Discovery আগামী বছরগুলোতে তাদের Chai-3 মডেল বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে।
AI এবং বায়োটেকনোলজির এই মিলন আগামী দশকে ওষুধ শিল্পকে পুরোপুরি বদলে দিতে পারে। বাংলাদেশের জন্য সময় এসেছে এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলার।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to ML
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...