৪০ কোটি ডলার পেল চাই ডিসকভারি, AI দিয়ে অ্যান্টিবডি ডিজাইনে বিপ্লব
AI ব্যবহার করে অ্যান্টিবডি ডিজাইনের জন্য বায়োকেমিক্যাল মলিকিউলের মিথস্ক্রিয়া পূর্বাভাস দেয় Chai Discovery। কোম্পানিটি 400 মিলিয়ন ডলারের সিরিজ C ফান্ডিং পেয়েছে এবং এর মূল্যায়ন বেড়ে দাঁড়িয়েছে 3.8 বিলিয়ন ডলারে।
AI ব্যবহার করে অ্যান্টিবডি ডিজাইনের জন্য বায়োকেমিক্যাল মলিকিউলের মিথস্ক্রিয়া পূর্বাভাস দেয় Chai Discovery। কোম্পানিটি 400 মিলিয়ন ডলারের সিরিজ C ফান্ডিং পেয়েছে এবং এর মূল্যায়ন বেড়ে দাঁড়িয়েছে 3.8 বিলিয়ন ডলারে।
Chai Discovery Inc. ঘোষণা করেছে যে তারা 400 মিলিয়ন ডলারের সিরিজ C ফান্ডিং পেয়েছে। এই রাউন্ডের নেতৃত্ব দিয়েছে Index Ventures, Kleiner Perkins, Sequoia Capital এবং Dimension। Bain Capital Ventures সহ নতুন বিনিয়োগকারীরাও এই রাউন্ডে অংশ নিয়েছে। এই ফান্ডিংয়ের ফলে কোম্পানির মূল্যায়ন প্রায় তিন গুণ বেড়ে 3.8 বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
Chai Discovery এমন একটি কোম্পানি যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI ব্যবহার করে বায়োকেমিক্যাল মলিকিউলের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য মডেল তৈরি করে। এই মডেলগুলি বিশেষভাবে অ্যান্টিবডি ডিজাইনের জন্য ব্যবহৃত হয়। অ্যান্টিবডি হলো এমন প্রোটিন যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করে এবং বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানিটি তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বাড়াতে পারবে। তারা বড় বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর সাথে কাজ করছে। SiliconAngle AI জানিয়েছে যে AI-ডিজাইন করা অ্যান্টিবডি এখন বড় ফার্মা শিল্পে পৌঁছেছে। এর মানে হলো AI ব্যবহার করে ডিজাইন করা অ্যান্টিবডি এখন বাস্তব বিশ্বের চিকিৎসায় ব্যবহারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
Chai Discovery-এর প্রযুক্তি মূলত প্রোটিনের ত্রিমাত্রিক গঠন এবং তাদের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা আরও কার্যকরী অ্যান্টিবডি ডিজাইন করতে পারেন। এটি ওষুধ আবিষ্কারের প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে এবং কম খরচে করে তোলে। ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে অনেক সময় এবং অর্থ ব্যয় হয়। AI এই প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষ করে তুলছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবরটি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে বায়োটেকনোলজি এবং ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প দ্রুত বাড়ছে। AI ব্যবহার করে ওষুধ আবিষ্কারের এই পদ্ধতি বাংলাদেশের গবেষক এবং কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার এবং ডেভেলপাররা AI এবং মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করছেন। এই ধরনের প্রযুক্তি তাদের জন্য নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।
ভবিষ্যতে AI ব্যবহার করে আরও জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিবডি তৈরি করা সম্ভব হবে। Chai Discovery-এর এই সাফল্য দেখায় যে AI শুধু টেকনোলজি নয়, এটি স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও বিপ্লব ঘটাতে পারে। এই খাতে আরও বিনিয়োগ এবং গবেষণা অব্যাহত থাকলে আগামী দশকে ওষুধ আবিষ্কারের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: SiliconAngle AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...