৪০০ মিলিয়ন ডলার পেল AI কোম্পানি, বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের কাজের গতি বাড়বে
জেনারেল কম্পিউট ইনক. ৪০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ অর্থায়ন ঘোষণা করেছে। Upper90 বিনিয়োগ সংস্থা প্রাথমিকভাবে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে। গ্রাহকের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে কোম্পানি আরও তহবিল উত্তোলনের পরিকল্পনা করছে।
জেনারেল কম্পিউট ইনক. ৪০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ অর্থায়ন ঘোষণা করেছে। Upper90 বিনিয়োগ সংস্থা প্রাথমিকভাবে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে। গ্রাহকের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে কোম্পানি আরও তহবিল উত্তোলনের পরিকল্পনা করছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামো স্টার্টআপ জেনারেল কম্পিউট ইনক. আজ ঘোষণা করেছে যে তারা ৪০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ অর্থায়ন সুরক্ষিত করেছে। এই অর্থায়নের আওতায় Upper90 বিনিয়োগ সংস্থা প্রাথমিকভাবে কোম্পানিটিকে ১০০ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করবে। গ্রাহকের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে জেনারেল কম্পিউট আরও তহবিল উত্তোলনের পরিকল্পনা করছে।
জেনারেল কম্পিউট AI ইনফারেন্স ক্লাউড পরিষেবায় বিশেষায়িত। ইনফারেন্স হল সেই প্রক্রিয়া যেখানে প্রশিক্ষিত AI মডেলগুলো নতুন তথ্যের ভিত্তিতে পূর্বাভাস বা সিদ্ধান্ত তৈরি করে। এটি AI ব্যবহারের সবচেয়ে সাধারণ পর্যায়। উদাহরণস্বরূপ, ChatGPT-তে কোনো প্রশ্ন করলে বা ছবি জেনারেট করলে সেটি ইনফারেন্সের মাধ্যমেই হয়।
বেশিরভাগ AI অবকাঠামো প্রদানকারী কোম্পানি মডেল প্রশিক্ষণে মনোযোগ দেয়। কিন্তু জেনারেল কম্পিউট শুধুমাত্র ইনফারেন্সের জন্য ক্লাউড পরিষেবা তৈরি করেছে। এই বিশেষায়িত পদ্ধতি তাদের প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে। কোম্পানিটি দাবি করে যে তাদের পরিষেবা বিদ্যমান সমাধানের তুলনায় দ্রুত এবং সাশ্রয়ী।
Upper90 বিনিয়োগ সংস্থা ঋণ অর্থায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি আন্ডাররাইট করছে। আন্ডাররাইটিং মানে তারা অর্থায়নের ঝুঁকি মূল্যায়ন করে এবং ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা দেয়। কোম্পানিটি প্রাথমিকভাবে ১০০ মিলিয়ন ডলার পাবে এবং চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে ধাপে ধাপে বাকি ৩০০ মিলিয়ন ডলার উত্তোলন করবে।
AI মডেলের ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে ইনফারেন্সের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। বড় ভাষা মডেল যেমন GPT-4 বা LLaMA ব্যবহার করতে প্রচুর কম্পিউটিং শক্তি প্রয়োজন। জেনারেল কম্পিউটের মতো কোম্পানিগুলো এই চাহিদা মেটাতে বিশেষ অবকাঠামো তৈরি করছে। এই অর্থায়ন তাদের পরিষেবা সম্প্রসারণে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ডেভেলপার এবং ফ্রিল্যান্সাররা AI মডেল ব্যবহার করছেন। স্থানীয় স্টার্টআপগুলো ChatGPT, Stable Diffusion-এর মতো AI টুল ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করছে। জেনারেল কম্পিউটের মতো কোম্পানিগুলো সাশ্রয়ী ইনফারেন্স পরিষেবা দিলে বাংলাদেশের ডেভেলপাররা কম খরচে AI প্রজেক্ট চালাতে পারবেন। শিক্ষার্থী এবং গবেষকরাও এই পরিষেবা ব্যবহার করে আরও জটিল AI মডেল নিয়ে কাজ করতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন AI অবকাঠামো খাতে এই ধরনের বিনিয়োগ ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। ক্লাউড কম্পিউটিং এবং AI-এর মিলিত বাজার আগামী কয়েক বছরে বহুগুণ বেড়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জেনারেল কম্পিউটের এই অর্থায়ন সেই ধারারই একটি অংশ।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: SiliconAngle AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...