স্তন ক্যান্সার শনাক্তে নতুন AI মডেল, বাড়ল পূর্বাভাসের নির্ভুলতা
গবেষকরা একটি মাল্টিমোডাল AI প্রগনোস্টিক মডেল যাচাই করেছেন যা প্রাথমিক পর্যায়ের HR+/HER2− স্তন ক্যান্সারের পূর্বাভাস নির্ভুলতা বাড়িয়েছে। এই মডেল বিভিন্ন ধরনের তথ্য একত্রিত করে পূর্বাভাস আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে। গবেষণাটি ভবিষ্যতে AI চালিত ক্যান্সার নির্ণয়ের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
গবেষকরা একটি মাল্টিমোডাল AI প্রগনোস্টিক মডেল যাচাই করেছেন যা প্রাথমিক পর্যায়ের HR+/HER2− স্তন ক্যান্সারের পূর্বাভাস নির্ভুলতা বাড়িয়েছে। এই মডেল বিভিন্ন ধরনের তথ্য একত্রিত করে পূর্বাভাস আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে। গবেষণাটি ভবিষ্যতে AI চালিত ক্যান্সার নির্ণয়ের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
ক্যান্সারনেটওয়ার্কের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে গবেষকরা একটি মাল্টিমোডাল AI প্রগনোস্টিক মডেল যাচাই করেছেন। এই মডেলটি প্রাথমিক পর্যায়ের HR+/HER2− স্তন ক্যান্সারের রোগীদের জন্য তৈরি। এটি বিভিন্ন ধরনের তথ্য একত্রিত করে পূর্বাভাসের নির্ভুলতা বাড়িয়েছে।
এই গবেষণার ফলাফল ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বর্তমানে ডাক্তাররা রোগীর বয়স, টিউমারের আকার ও অন্যান্য ক্লিনিকাল তথ্যের ভিত্তিতে পূর্বাভাস দেন। কিন্তু এই নতুন মডেল জিনগত তথ্য, প্যাথলজি রিপোর্ট ও ইমেজিং ডেটা একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে। এতে করে পূর্বাভাস আরও নির্ভরযোগ্য ও ব্যক্তিগতকৃত হয়।
মাল্টিমোডাল AI মডেল বলতে বোঝায় যে এটি একাধিক ধরনের ডেটা ইনপুট নিয়ে কাজ করে। যেমন টিউমারের মাইক্রোস্কোপিক ছবি, জিন এক্সপ্রেশন ডেটা ও রোগীর ক্লিনিকাল ইতিহাস। এই সব তথ্য একত্রিত করে মডেলটি একটি শক্তিশালী পূর্বাভাস তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে এই মডেল প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে বেশি নির্ভুলভাবে রোগের পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি শনাক্ত করতে পারে।
এই গবেষণার জন্য TIP12 শীর্ষক একটি ক্লিনিকাল ট্রায়ালের ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রায়ালটিতে প্রাথমিক পর্যায়ের HR+/HER2− স্তন ক্যান্সারের রোগীরা অংশ নিয়েছিলেন। HR+/HER2− স্তন ক্যান্সার হল সবচেয়ে সাধারণ ধরনের স্তন ক্যান্সার। এতে হরমোন রিসেপ্টর পজিটিভ কিন্তু HER2 প্রোটিন নেগেটিভ থাকে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই গবেষণার গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক পূর্বাভাস পেলে রোগীরা সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিতে পারেন। এই মডেল বাংলাদেশের হাসপাতাল ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি নতুন দিশা দেখাতে পারে। তবে এ জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত ডেটা ও প্রশিক্ষিত জনবল।
গবেষকরা আশা করছেন যে এই মডেল ভবিষ্যতে আরও উন্নত হবে। তারা অন্যান্য ধরনের ক্যান্সারের জন্যও অনুরূপ মডেল তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন। AI প্রযুক্তির এই প্রয়োগ ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি। এটি শুধু রোগীর জীবন বাঁচাতেই নয়, চিকিৎসার খরচ কমাতেও সাহায্য করবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews AI Global
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...