সর্দি-কাশি প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ, সাথে OpenAI ও Stripe
পেমেন্ট কোম্পানি Stripe এবং AI জায়ান্ট Anthropic ও OpenAI মিলে একটি নতুন উদ্যোগে অর্থায়ন করছে। লক্ষ্য হলো শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা, যার মধ্যে সাধারণ সর্দিও রয়েছে। বর্তমানে এই রোগের কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই।
পেমেন্ট কোম্পানি Stripe এবং AI জায়ান্ট Anthropic ও OpenAI মিলে একটি নতুন উদ্যোগে অর্থায়ন করছে। লক্ষ্য হলো শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা, যার মধ্যে সাধারণ সর্দিও রয়েছে। বর্তমানে এই রোগের কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই।
পেমেন্ট কোম্পানি Stripe এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুই শীর্ষ প্রতিষ্ঠান Anthropic ও OpenAI একসঙ্গে একটি নতুন স্বাস্থ্য উদ্যোগে অর্থায়ন করছে। MIT Tech Review জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা। সাধারণ সর্দি-কাশি, যার কোনো প্রতিরোধ পদ্ধতি এখনও আবিষ্কৃত হয়নি, সেটিও এই উদ্যোগের আওতায় আসবে।
Stripe-এর প্রতিষ্ঠাতা প্যাট্রিক ও জন কলিসন এই অর্থায়নের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রযুক্তি জায়ান্টরা তাদের মূল ব্যবসার বাইরে গিয়ে স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করছে। এটি একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। আগে শুধু AI ও পেমেন্ট প্রযুক্তিতে নজর থাকলেও এখন তারা সরাসরি মানুষের স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসছে।
সাধারণ সর্দি এমন একটি রোগ যা বছরে একাধিকবার প্রায় সবাইকে আক্রান্ত করে। বর্তমানে ভিটামিন সি খাওয়া বা অসুস্থ মানুষ থেকে দূরে থাকাই একমাত্র উপায়। কোনো কার্যকর ভ্যাকসিন বা ওষুধ নেই। এই নতুন উদ্যোগ সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে পারে। গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরে একটি সার্বজনীন প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করতে চেষ্টা করছেন।
Stripe, Anthropic এবং OpenAI-এর অর্থায়ন এই গবেষণাকে ত্বরান্বিত করবে। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর স্বাস্থ্য খাতে প্রবেশ নতুন নয়। তবে এত বড় বিনিয়োগ এবং তিনটি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের একসঙ্গে কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ। তারা সম্ভবত AI ব্যবহার করে ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিভাইরাল বা ভ্যাকসিন তৈরি করতে চায়।
বাংলাদেশের জন্যও এই খবর প্রাসঙ্গিক। দেশের ফ্রিল্যান্সার, ডেভেলপার এবং শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য খাতে নতুন সুযোগ পেতে পারে। যদি এই উদ্যোগ সফল হয়, তাহলে সাধারণ সর্দি-কাশি প্রতিরোধের একটি সাশ্রয়ী পদ্ধতি তৈরি হবে। এটি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে স্বাস্থ্যসেবার খরচ কমাতে সাহায্য করবে।
এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে। প্রযুক্তি জায়ান্টরা যদি স্বাস্থ্য গবেষণায় নিয়মিত বিনিয়োগ করে, তাহরে রোগ প্রতিরোধের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এখন দেখা বাকি, এই অর্থায়ন কত দ্রুত বাস্তব ফল দিতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: MIT Tech Review
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...