মেটার প্রাক্তন গবেষণা প্রধান ৬.৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বাংলাদেশের AI খাতে আসছেন
মেটা এফএআইআর-এর প্রাক্তন গবেষণা প্রধান তিয়ান ইউয়ানডং সাতজন শীর্ষ গবেষকের সাথে মিলে নতুন AI কোম্পানি RSI প্রতিষ্ঠা করেছেন। কোম্পানিটি এখনো কোনো পণ্য তৈরি করেনি, কিন্তু ইতিমধ্যে 6.5 বিলিয়ন ডলার ফান্ডিং পেয়েছে, যার মূল্যায়ন 46.5 বিলিয়ন ডলার।
মেটা এফএআইআর-এর প্রাক্তন গবেষণা প্রধান তিয়ান ইউয়ানডং সাতজন শীর্ষ গবেষকের সাথে মিলে নতুন AI কোম্পানি RSI প্রতিষ্ঠা করেছেন। কোম্পানিটি এখনো কোনো পণ্য তৈরি করেনি, কিন্তু ইতিমধ্যে 6.5 বিলিয়ন ডলার ফান্ডিং পেয়েছে, যার মূল্যায়ন 46.5 বিলিয়ন ডলার।
মেটা এফএআইআর-এর প্রাক্তন গবেষণা প্রধান তিয়ান ইউয়ানডং সাতজন শীর্ষ গবেষকের সাথে মিলে নতুন AI কোম্পানি Recursive Superintelligence (RSI) প্রতিষ্ঠা করেছেন। কোম্পানিটি এখনো কোনো পণ্য তৈরি করেনি, কিন্তু ইতিমধ্যে 6.5 বিলিয়ন ডলার ফান্ডিং পেয়েছে, যার মূল্যায়ন 46.5 বিলিয়ন ডলার।
এই ফান্ডিং রাউন্ডটি AI শিল্পে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। বিনিয়োগকারীরা এখন সম্পূর্ণভাবে দলের দক্ষতা এবং সম্ভাবনার উপর বাজি ধরছেন, কোনো প্রমাণিত পণ্য ছাড়াই। তিয়ান ইউয়ানডং বলেছেন, সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারীরা মানুষের উপর ভরসা করে।
তিয়ান ইউয়ানডং মেটা এফএআইআর ছেড়ে RSI-তে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কারণ তিনি মনে করেন, বর্তমান AI শিল্পে ছোট এবং দ্রুত টিম বড় কোম্পানির চেয়ে বেশি কার্যকর। তিনি বলেন, বড় টিমের মধ্যে অনেক সমস্যা থাকে, যেমন ধীর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব। RSI-তে তারা একটি ছোট, চটপটে টিম তৈরি করতে চান, যা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং দ্রুত কাজ করতে পারে।
তিয়ান ইউয়ানডং আরও জানিয়েছেন, তিনি অ্যানথ্রপিক, এক্সএআই, অ্যামাজন, অ্যাপল এবং মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি দেখেছেন, দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এসব কোম্পানির অনেক শীর্ষ নির্বাহী নিজেরাই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। এটি বড় কোম্পানির অস্থিরতা এবং ধীরগতির প্রতিফলন।
RSI-এর এই ফান্ডিং এবং মূল্যায়ন AI শিল্পে একটি নতুন প্রবণতা তৈরি করতে পারে। এখন থেকে বিনিয়োগকারীরা হয়তো পণ্যের চেয়ে মানুষের উপর বেশি জোর দেবেন। এই প্রবণতা বাংলাদেশের AI এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্যও একটি সুযোগ তৈরি করতে পারে। ছোট এবং দক্ষ টিম দিয়ে বড় বিনিয়োগ পাওয়া সম্ভব।
তবে, এখনো পর্যন্ত RSI-এর কোনো পণ্য বা সেবা ঘোষণা করা হয়নি। কোম্পানিটি কী ধরনের AI সিস্টেম তৈরি করবে, তা নিয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বাজারের ধারণা, তারা সম্ভবত একটি নতুন ধরনের সুপারইন্টেলিজেন্স সিস্টেম তৈরি করতে চায়, যা বর্তমান AI-এর চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হবে।
বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য এই খবরটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখায় যে AI শিল্পে ছোট টিমেরও বড় প্রভাব ফেলার সুযোগ রয়েছে। দক্ষতা এবং জ্ঞানের উপর জোর দিয়ে কাজ করলে বড় বিনিয়োগ পাওয়া সম্ভব।
ভবিষ্যতে RSI-এর কার্যক্রম এবং পণ্য ঘোষণা নিয়ে AI বিশ্বে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সবাই দেখতে চায়, এই শীর্ষ গবেষকদের টিম কী ধরনের উদ্ভাবন নিয়ে আসে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...