OpenAI-কে লেম্যান ব্রাদার্স বলছেন বিশেষজ্ঞ, AI বুদ্বুদ ফেটে চাকরির ঝুঁকি
এড জিট্রন দাবি করেছেন, AI শিল্পের বুদ্বুদ আসলে শুধু OpenAI-কে ঘিরে। তিনি কোম্পানিটিকে লেম্যান ব্রাদার্সের সঙ্গে তুলনা করে সম্ভাব্য পতনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এড জিট্রন দাবি করেছেন, AI শিল্পের বুদ্বুদ আসলে শুধু OpenAI-কে ঘিরে। তিনি কোম্পানিটিকে লেম্যান ব্রাদার্সের সঙ্গে তুলনা করে সম্ভাব্য পতনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এড জিট্রন, একজন প্রযুক্তি বিশ্লেষক, বলেছেন যে AI বুদ্বুদ আসলে একটি OpenAI বুদ্বুদ। তিনি ChatGPT নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটিকে লেম্যান ব্রাদার্সের সঙ্গে তুলনা করেছেন। লেম্যান ব্রাদার্স 2008 সালের আর্থিক সংকটের সময় ধসে পড়া একটি বড় বিনিয়োগ ব্যাংক ছিল।
জিট্রনের মতে, পুরো AI শিল্প অতিমূল্যায়িত নয়। বরং শুধু OpenAI-এর চারপাশে একটি কৃত্রিম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে এই অতিমূল্যায়ন টেকসই নয় এবং ভবিষ্যতে একটি বড় পতন ঘটতে পারে।
Business Insider-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিট্রন OpenAI-এর ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, কোম্পানিটি বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে কিন্তু পর্যাপ্ত আয় করতে পারছে না। ChatGPT-এর জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও কোম্পানির খরচ অনেক বেশি। GPU এবং ডেটা সেন্টারের মতো অবকাঠামোতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে।
অন্যান্য AI কোম্পানি যেমন Google, Microsoft এবং Meta তাদের নিজস্ব প্রযুক্তি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু জিট্রন মনে করেন, OpenAI-র বিনিয়োগকারীরা খুব দ্রুত রিটার্ন আশা করছেন। যদি OpenAI তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারাতে পারেন। এর ফলে কোম্পানির মূল্য দ্রুত কমে যেতে পারে।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অনেক ডেভেলপার এবং ফ্রিল্যান্সার ChatGPT-এর API ব্যবহার করে অ্যাপ তৈরি করেন। যদি OpenAI দুর্বল হয়ে পড়ে বা তার সেবার মান কমিয়ে দেয়, তাহলে এই ব্যবহারকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এছাড়াও, বাংলাদেশের স্টার্টআপ যারা OpenAI-এর উপর নির্ভরশীল, তাদের বিকল্প খুঁজে নেওয়ার সময় এসেছে।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের জন্যও এটি একটি সতর্কবার্তা। AI শেখার সময় একক কোম্পানির উপর নির্ভর না করে বিভিন্ন ওপেন সোর্স মডেল এবং প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে জ্ঞান রাখা উচিত। Google-এর Gemini, Meta-এর Llama এবং অন্যান্য ওপেন সোর্স মডেলগুলো ভালো বিকল্প হতে পারে।
শেষ পর্যন্ত, AI শিল্পের ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত। OpenAI-র পতন পুরো শিল্পের জন্য খারাপ হবে না। বরং এটি একটি স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের উচিত বর্তমান অবস্থা বুঝে সতর্ক থাকা এবং একাধিক বিকল্প রাখা।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews LLM Models
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...