এমপির মাথা বসিয়ে এআই অশ্লীল ভিডিও, আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা
মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমানের অভিযোগ, তার মাথা অপরের শরীরে বসিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে হেয় করার এই অপচেষ্টায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমানের অভিযোগ, তার মাথা অপরের শরীরে বসিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে হেয় করার এই অপচেষ্টায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমানের বিরুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে তার মাথা অন্য একজনের শরীরের সঙ্গে বসিয়ে অশ্লীল দৃশ্য দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এম নাসের রহমান জানান, এই ভিডিওটি সম্পূর্ণ এআই কারসাজি। এটি তার রাজনৈতিক অবস্থানকে হেয় করার একটি অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, যারা এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অপব্যবহার করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিপফেক (Deepfake) নামে পরিচিত এই প্রযুক্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তির মুখ বা মাথা অন্য ছবি বা ভিডিওতে বসিয়ে দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক অপপ্রচার, ব্যক্তিগত হয়রানি এমনকি জালিয়াতির জন্যও এই প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে।
বাংলাদেশে ডিপফেক সংক্রান্ত ঘটনা নতুন নয়। তবে সংসদ সদস্যের মতো জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এ ধরনের ভিডিও ছড়ানো একটি গুরুতর ঘটনা। এটি প্রমাণ করে যে, ডিজিটাল নিরাপত্তা ঝুঁকি এখন আর শুধু সাধারণ নাগরিকের নয়, বরং দেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও পৌঁছে গেছে।
এআই প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ডিপফেক শনাক্ত করার পদ্ধতিও উন্নত হচ্ছে। কিন্তু আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য এখনও এটি একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা রোধে প্রযুক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ প্রয়োজন।
সংসদ সদস্য এম নাসের রহমানের এই ঘোষণা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হেয় করার জন্য অপপ্রচারের অংশ হতে পারে। তবে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তদন্তের ওপরই জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আরও সক্রিয় পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জনগণের মধ্যে এআই সচেতনতা বাড়ানো এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথাযথ প্রয়োগ এখন সময়ের দাবি।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Sarabangla Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...