Chrome-এর ভেতরেই চলছে Firefox, ব্রাউজার বদলে দেবে এই প্রযুক্তি
ব্রাউজারের ভেতরে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ ব্রাউজার চালানোর কল্পনা কি বাস্তবে রূপ নিয়েছে? Puter প্রকল্পটি Firefox-কে WebAssembly-এ কম্পাইল করে এমন এক অভূতপূর্ব কীর্তি গড়েছে। এই যুগান্তকারী প্রকল্পটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ২৫,০০০ ডলারের বেশি AI টোকেন।
ব্রাউজারের ভেতরে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ ব্রাউজার চালানোর কল্পনা কি বাস্তবে রূপ নিয়েছে? Puter প্রকল্পটি Firefox-কে WebAssembly-এ কম্পাইল করে এমন এক অভূতপূর্ব কীর্তি গড়েছে। এই যুগান্তকারী প্রকল্পটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ২৫,০০০ ডলারের বেশি AI টোকেন।
প্রযুক্তি বিশ্বে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে। Puter নামের একটি প্রকল্প Firefox ব্রাউজারকে সম্পূর্ণরূপে WebAssembly-এ রূপান্তরিত করেছে। এর ফলে এখন একটি ব্রাউজারের ভেতরে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ Firefox ব্রাউজার চালানো সম্ভব হচ্ছে।
সিমন উইলিসন তার ব্লগে এই উদ্ভাবনের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে তার ব্লগটি Firefox-এ চলে, যা আবার WebAssembly-এর মাধ্যমে Chrome-এর ভেতরে চলছে। এটি একটি প্রযুক্তিগত মাইলফলক যা ব্রাউজার প্রযুক্তির সীমানা পুনরায় নির্ধারণ করছে।
প্রকল্পটি তৈরি করতে Puter দলটি Claude Opus এবং Fable মডেলের টোকেন ব্যবহার করেছে। এই টোকেনগুলোর মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫,০০০ ডলার। দলটি Claude Max সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানের সুবিধা নিয়ে এই বিপুল পরিমাণ AI সম্পদ ব্যবহার করেছে।
Puter কেন Firefox বা Gecko ইঞ্জিন বেছে নিয়েছে তার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে। Firefox-এর শক্তিশালী একক-প্রক্রিয়া বা single-process সমর্থন রয়েছে। অন্যান্য আধুনিক ব্রাউজার মাল্টি-প্রসেস আর্কিটেকচার ব্যবহার করলেও Firefox এখনও একক প্রক্রিয়ায় দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যটি WebAssembly পরিবেশে ব্রাউজার চালানোর জন্য অপরিহার্য ছিল।
ডেমো সংস্করণে সমস্ত ট্রাফিক WebSocket প্রোটোকলের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে Wisp প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করা হচ্ছে। এই পদ্ধতি নিশ্চিত করে যে ব্রাউজারের ভেতরে ব্রাউজার চালানোর সময় নেটওয়ার্ক সংযোগ নির্বিঘ্ন থাকে।
এই প্রযুক্তি বাংলাদেশের ডেভেলপার এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। স্থানীয় ফ্রিল্যান্সাররা এখন ব্রাউজার-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। এটি ক্লাউড কম্পিউটিং এবং রিমোট ডেস্কটপ সেবার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। শিক্ষার্থীরা ব্রাউজার আর্কিটেকচার এবং WebAssembly প্রযুক্তি সম্পর্কে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাবে।
ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আরও পরিমার্জিত হবে বলে আশা করা যায়। ব্রাউজারের ভেতরে ব্রাউজার চালানোর ধারণাটি এখন শুধু পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও এর সম্ভাবনা বিশাল। ক্লাউড গেমিং, রিমোট ওয়ার্ক এবং ক্রস-প্ল্যাটফর্ম অ্যাপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটাতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Simon Willison
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...