বাংলা কিউআর চালু: ১ জুলাই থেকে ডিজিটাল লেনদেনে কমবে প্রতারণার ঝুঁকি
প্রতারণা ও নগদ টাকার ঝুঁকি ঠেকাতে আগামী ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রথম পর্যায়ে দেড় লাখ স্মার্টফোন বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রতারণা ও নগদ টাকার ঝুঁকি ঠেকাতে আগামী ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রথম পর্যায়ে দেড় লাখ স্মার্টফোন বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রতারণা ও নগদ টাকার ঝুঁকি কমাতে আগামী ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর (কুইক রেসপন্স) পুনরায় ব্যাপকভাবে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। মোবাইলে অ্যাপভিত্তিক এই ডিজিটাল কর্মসূচি সারা দেশে জনপ্রিয় করতে প্রথম পর্যায়ে প্রান্তিক শ্রেণির মানুষের মাঝে দেড় লাখ স্মার্টফোন বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বাংলা কিউআর মূলত একটি কুইক রেসপন্স কোডভিত্তিক লেনদেন ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে সহজে ও দ্রুত টাকা লেনদেন করতে পারবেন। নগদ টাকা ব্যবহারের ঝুঁকি যেমন চুরি বা ছিনতাই এখানে থাকে না। একইসঙ্গে প্রতারণা ঠেকাতেও এই পদ্ধতি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রথম পর্যায়ে দেড় লাখ স্মার্টফোন বিতরণের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আনা হবে। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষক ও নিম্নআয়ের মানুষ অগ্রাধিকার পাবেন। সরকারি এই উদ্যোগের ফলে দেশের অর্থনীতিতে নগদ টাকার নির্ভরতা কমবে এবং ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়বে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে মোবাইল ফোন অপারেটর ও ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ব্যাংক বাংলা কিউআর সেবা চালু করেছে। তবে ব্যাপকহারে এই সেবা পৌঁছে দিতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশে ডিজিটাল লেনদেনের বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করলে এই উদ্যোগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মোট লেনদেনের একটি বড় অংশ এখনও নগদে হয়। এই নগদ লেনদেনের কারণে চুরি, ছিনতাই ও জাল টাকার ঝুঁকি থাকে। বাংলা কিউআর এই ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।
তবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও আছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা একটি বড় বাধা। এছাড়া ডিজিটাল লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোরও প্রয়োজন আছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এসব বিষয় মাথায় রেখে ধাপে ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে।
ভবিষ্যতে বাংলা কিউআর সেবা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই কর্মসূচি সফল হলে বাংলাদেশের ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। নগদ টাকার ঝুঁকি কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষ সহজে ও নিরাপদে লেনদেন করতে পারবেন।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Sarabangla Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...