এআই জাল জরিমানার বার্তা থেকে বাঁচুন, না ক্লিক করলেই টাকা বাঁচে
বাংলাদেশে প্রতারকরা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জাল ট্রাফিক জরিমানার বার্তা পাঠিয়ে গাড়ি মালিকদের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য চুরি করছে। কর্তৃপক্ষ সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করার জন্য সতর্ক করছে।
বাংলাদেশে প্রতারকরা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জাল ট্রাফিক জরিমানার বার্তা পাঠিয়ে গাড়ি মালিকদের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য চুরি করছে। কর্তৃপক্ষ সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করার জন্য সতর্ক করছে।
বাংলাদেশে গাড়ি মালিকদের টার্গেট করে একটি নতুন প্রতারণা চক্র সক্রিয় হয়েছে। এই চক্র এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জাল ট্রাফিক জরিমানার বার্তা তৈরি করছে এবং ফিশিং লিংকের মাধ্যমে মানুষকে প্রতারিত করছে।
GNews BD-AI সূত্রে জানা গেছে, প্রতারকরা মোবাইল ফোনে এসএমএস বা মেসেঞ্জারে বার্তা পাঠাচ্ছে। বার্তায় দাবি করা হচ্ছে যে প্রাপকের গাড়ির নামে ট্রাফিক জরিমানা হয়েছে এবং তা পরিশোধ না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বার্তার সঙ্গে একটি লিংক দেওয়া থাকে যা ক্লিক করলে একটি জাল ওয়েবসাইট খোলে।
এই ওয়েবসাইটটি দেখতে অনেকটা সরকারি ট্রাফিক বিভাগের অফিসিয়াল পোর্টালের মতো। সেখানে গাড়ির মালিককে তার নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য দিতে বলা হয়। একবার তথ্য দেওয়া হলে তা সরাসরি প্রতারকদের হাতে চলে যায়।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রতারণায় এআই ব্যবহার করা হচ্ছে বার্তাগুলোকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার জন্য। এআই টুলস দিয়ে ভাষা ও বানান এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে তা সরকারি চিঠির মতো মনে হয়। ফলে সাধারণ মানুষ সহজেই বিভ্রান্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশের ট্রাফিক পুলিশ এবং সাইবার ক্রাইম ইউনিট ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, ট্রাফিক জরিমানা সংক্রান্ত কোনো অফিসিয়াল বার্তা কখনো লিংকসহ পাঠানো হয় না। জরিমানা পরিশোধের একমাত্র বৈধ পথ হলো সরাসরি ব্যাংক বা নির্ধারিত অনলাইন পোর্টাল।
বাংলাদেশের সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এই ঘটনার বাস্তব অর্থ হলো, এখন থেকে যেকোনো ট্রাফিক জরিমানার বার্তা পেলেই সতর্ক হতে হবে। বার্তায় থাকা লিংকে ক্লিক না করে সরাসরি ট্রাফিক পুলিশের অফিস বা নির্ধারিত অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করতে হবে।
এই প্রতারণা থেকে বাঁচার জন্য কিছু সহজ উপায় আছে। প্রথমত, অপরিচিত নম্বর থেকে আসা যেকোনো লিংক এড়িয়ে চলা। দ্বিতীয়ত, জরিমানার তথ্য যাচাই করতে সরকারি ট্রাফিক পুলিশের হেল্পলাইনে ফোন করা। তৃতীয়ত, অনলাইনে কোনো আর্থিক লেনদেন করার আগে ওয়েবসাইটের ইউআরএল ভালোভাবে পরীক্ষা করা।
ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই সাইবার সচেতনতা বাড়ানো এবং নিজের তথ্য সুরক্ষিত রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews BD-AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...