শুধু AI নয়, দক্ষতায় বিনিয়োগের তাগিদ প্রফেসর হেনরিক ভন শিলের
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর হেনরিক ভন শিল বলেছেন, AI-র পাশাপাশি মানুষের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ জরুরি। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ও শিক্ষার্থীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর হেনরিক ভন শিল বলেছেন, AI-র পাশাপাশি মানুষের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ জরুরি। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ও শিক্ষার্থীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।
বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও ‘ইন্ডাস্ট্রি ৪.০’ ধারণার অন্যতম জনক প্রফেসর হেনরিক ভন শিল বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (AI) বিনিয়োগের পাশাপাশি মানুষের দক্ষতা উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার মতে, AI যতই শক্তিশালী হোক, শেষ পর্যন্ত সেটাকে ব্যবহার করবে মানুষ। তাই প্রযুক্তির চেয়ে মানুষের সক্ষমতা বাড়ানোর দিকেই বেশি নজর দেওয়া উচিত।
প্রফেসর ভন শিল বলেন, AI আসলে একটি হাতিয়ার, গন্তব্য নয়। অনেক প্রতিষ্ঠান নতুন প্রযুক্তি কিনে ফেললেও কর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয় না। ফলে সেই বিনিয়োগ থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার তরুণ প্রজন্মকে AI-র পাশাপাশি ক্রিটিকাল থিংকিং, সমস্যা সমাধান এবং সৃজনশীলতার মতো নরম দক্ষতায় গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ও ডেভেলপার সম্প্রদায়ের জন্য এই বক্তব্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বর্তমানে দেশের বহু তরুণ AI টুল যেমন ChatGPT বা GPT-5 ব্যবহার করছে। কিন্তু প্রফেসর ভন শিল সতর্ক করে বলেন, শুধু টুল ব্যবহার জানলেই হবে না; বরং সেটাকে নিজের কাজে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যায়, সেটাই বড় দক্ষতা। যারা এই দক্ষতা অর্জন করবে, তারাই ভবিষ্যৎ চাকরির বাজারে এগিয়ে থাকবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রযুক্তি শেখার পাশাপাশি নিজের মৌলিক জ্ঞান ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা ধারালো করতে হবে। কারণ AI যতই উন্নত হোক, এটি মানুষের বিচার-বুদ্ধি ও নৈতিকতার বিকল্প নয়। বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি জরুরি। সরকার ও বেসরকারি খাতকে একসঙ্গে কাজ করে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করতে হবে।
সবশেষে প্রফেসর ভন শিল মনে করিয়ে দেন, প্রযুক্তি আসে এবং যায়, কিন্তু মানুষের দক্ষতা চিরস্থায়ী। তাই শুধু AI নয়, বরং মানুষের মেধা ও সৃজনশীলতায় বিনিয়োগই হবে আগামী দিনের সাফল্যের চাবিকাঠি। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ; শুধু প্রযুক্তি আমদানি না করে নিজেদের মানুষকে প্রস্তুত করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে অনেক দূর।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Google News BD-AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
