যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের বাধা উপেক্ষা করে ক্যালিফোর্নিয়া-ম্যাসাচুসেটসে এআই আইন
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজ্যস্তরের এআই নিয়ন্ত্রণ আটকানোর চেষ্টা করলেও ম্যাসাচুসেটস ও ক্যালিফোর্নিয়ার মতো রাজ্য নিজস্ব আইন প্রণয়নে এগিয়ে যাচ্ছে। ফেডারেল ও রাজ্য নীতির মধ্যে এই টানাপোড়েন এআই শিল্পের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজ্যস্তরের এআই নিয়ন্ত্রণ আটকানোর চেষ্টা করলেও ম্যাসাচুসেটস ও ক্যালিফোর্নিয়ার মতো রাজ্য নিজস্ব আইন প্রণয়নে এগিয়ে যাচ্ছে। ফেডারেল ও রাজ্য নীতির মধ্যে এই টানাপোড়েন এআই শিল্পের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজ্যস্তরের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ন্ত্রণ আটকানোর চেষ্টা করলেও কয়েকটি রাজ্য নিজস্ব আইন প্রণয়নে এগিয়ে যাচ্ছে। এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ট্রাম্প ফেডারেল পর্যায়ে এআই নিয়ন্ত্রণ কমানোর পক্ষে থাকলেও ম্যাসাচুসেটস, ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউ ইয়র্কের মতো রাজ্য নিজস্ব নীতিমালা তৈরি করছে।
এই টানাপোড়েন এআই শিল্পের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একদিকে ফেডারেল সরকার নিয়ন্ত্রণ শিথিল করতে চায়, অন্যদিকে রাজ্যগুলো ভোক্তা সুরক্ষা ও নৈতিকতার কথা বিবেচনা করে কঠোর আইন চায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিভক্তি এআই কোম্পানিগুলোর জন্য জটিলতা তৈরি করতে পারে, কারণ তাদের একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যের ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম মেনে চলতে হবে।
বেশ কয়েকটি রাজ্য ইতিমধ্যে এআই-সম্পর্কিত আইন প্রণয়ন শুরু করেছে। ম্যাসাচুসেটস এআই অ্যালগরিদমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি বিল পাস করেছে। ক্যালিফোর্নিয়া এআই সিস্টেমে পক্ষপাত দূর করার জন্য আইন প্রণয়নের কাজ করছে। নিউ ইয়র্ক এআই-চালিত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নৈতিকতা বজায় রাখতে নিয়ম তৈরি করছে। টেক্সাস ও ফ্লোরিডার মতো রাজ্য এখনো ফেডারেল নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে।
এআই নিয়ন্ত্রণের এই অসমতা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি কোম্পানি যদি একাধিক রাজ্যে কাজ করে, তাহলে তাকে প্রতিটি রাজ্যের আলাদা আলাদা নিয়ম মেনে চলতে হবে। ছোট স্টার্টআপগুলোর জন্য এই জটিলতা আরও বেশি সমস্যা তৈরি করছে। অন্যদিকে বড় কোম্পানিগুলো নিজস্ব আইনি দল দিয়ে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশের জন্যও এই ঘটনার গুরুত্ব রয়েছে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ও সফটওয়্যার ডেভেলপাররা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এআই-ভিত্তিক সেবা দিয়ে থাকে। রাজ্যভেদে নিয়ম ভিন্ন হলে তাদের এই সেবা সরবরাহে জটিলতা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারও যদি নিজস্ব এআই নীতিমালা তৈরি করে, তাহলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা জরুরি হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে এআই নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট আইন নেই, তবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই বিভক্ত নীতি আগামী দিনে এআই শিল্পের গতিপথ নির্ধারণ করবে। ফেডারেল ও রাজ্য সরকারগুলোর মধ্যে সমন্বয় না হলে এআই উদ্ভাবনের গতি কমে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শেষ পর্যন্ত একটি সমন্বিত ফেডারেল নীতির প্রয়োজন হবে, যা সব রাজ্যের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews AI Global
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...