যুক্তরাজ্যে কাউন্সিলের কাজে Google-এর AI, বাংলাদেশের প্রশাসনেও আসছে সুবিধা
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোতে কাউন্সিল পরিকল্পনা প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করতে Google Cloud-এর generative AI ব্যবহার করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি অসংগঠিত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে প্রশাসনিক জট কমাতে সাহায্য করছে, যা ২০২৯ সালের মধ্যে ১৫ লাখ নতুন বাড়ি তৈরির সরকারি লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোতে কাউন্সিল পরিকল্পনা প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করতে Google Cloud-এর generative AI ব্যবহার করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি অসংগঠিত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে প্রশাসনিক জট কমাতে সাহায্য করছে, যা ২০২৯ সালের মধ্যে ১৫ লাখ নতুন বাড়ি তৈরির সরকারি লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
যুক্তরাজ্যের সরকারি মন্ত্রণালয়গুলো স্থানীয় প্রশাসন সংস্থাগুলোতে কাউন্সিল পরিকল্পনা কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করতে Google Cloud-এর generative AI প্রযুক্তি মোতায়েন করছে। AI News-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তি বিপুল পরিমাণ অসংগঠিত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে প্রশাসনিক জট কমাতে সহায়তা করছে।
যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৯ সালের মধ্যে ১৫ লাখ নতুন বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। স্থানীয় পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ ঘন কাগজপত্রের কারণে প্রশাসনিক জটের সম্মুখীন হচ্ছে, যা পরিকল্পনা অনুমোদন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করছে। Google Cloud-এর generative AI এই বিলম্ব দূর করে দ্রুত অনুমোদন নিশ্চিত করতে কাজ করবে।
Google Cloud-এর generative AI মডেলগুলি অসংগঠিত ডেটা যেমন টেক্সট, ইমেজ এবং পিডিএফ ফাইল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য বের করে নিতে পারে। এই প্রযুক্তি পরিকল্পনা আবেদনপত্র, জোনিং রিপোর্ট এবং পরিবেশগত মূল্যায়নের মতো জটিল নথি বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সারসংক্ষেপ তৈরি করে। এর ফলে পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সময় বেঁচে যায় এবং তারা আরও জটিল সিদ্ধান্ত গ্রহণে মনোযোগ দিতে পারেন।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তারা আশা করছেন যে পরিকল্পনা অনুমোদনের সময়সীমা আগের চেয়ে ৩ গুণ কমে আসবে। বর্তমানে একটি সাধারণ পরিকল্পনা আবেদন প্রক্রিয়াকরণে ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগে, যা এই AI প্রযুক্তির মাধ্যমে ২ থেকে ৪ সপ্তাহে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবর অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোতেও একই ধরনের প্রশাসনিক জট এবং কাগজপত্রের বোঝা বিদ্যমান। ঢাকা শহরের উন্নয়ন পরিকল্পনা, ভবন নির্মাণ অনুমোদন এবং জমি নিবন্ধনের মতো কাজে AI প্রযুক্তি ব্যবহার করলে সময় ও খরচ উভয়ই সাশ্রয় হবে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার এবং ডেভেলপারদের জন্য এই প্রযুক্তি শেখার এবং প্রয়োগের বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ভবিষ্যতে Google Cloud-এর generative AI আরও বেশি সরকারি সেবায় অন্তর্ভুক্ত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিবহন খাতেও এই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে। যুক্তরাজ্যের এই উদ্যোগ অন্যান্য দেশের জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: AI News
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...