যুদ্ধের মাঝেও নাগরিকদের জন্য AI তৈরি করছে ইউক্রেন, জানালেন উপমন্ত্রী
ইউক্রেনের ডেপুটি মিনিস্টার নাটালিয়া ডেনিকিয়েভা প্যারিসের VivaTech সম্মেলনে জানিয়েছেন, যুদ্ধের সময়ও তারা নাগরিকদের জন্য AI তৈরি করছে। ডিজিটাল রেজিলিয়েন্সি বা সঙ্কট মোকাবিলার সক্ষমতাই তাদের মূল লক্ষ্য।
ইউক্রেনের ডেপুটি মিনিস্টার নাটালিয়া ডেনিকিয়েভা প্যারিসের VivaTech সম্মেলনে জানিয়েছেন, যুদ্ধের সময়ও তারা নাগরিকদের জন্য AI তৈরি করছে। ডিজিটাল রেজিলিয়েন্সি বা সঙ্কট মোকাবিলার সক্ষমতাই তাদের মূল লক্ষ্য।
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশেও প্রযুক্তির বিকাশ থেমে নেই। ইউক্রেনের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী নাটালিয়া ডেনিকিয়েভা প্যারিসের VivaTech x Bloomberg Awards অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, তারা নাগরিকদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI তৈরি করছেন।
ব্লুমবার্গের ফ্রান্সিন ল্যাকোয়া ও টম ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে আলোচনায় ডেনিকিয়েভা বলেছেন, যুদ্ধের কঠিন সময়েও ডিজিটাল সেবা চালু রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। এই ধারাবাহিকতাকে তারা ডিজিটাল রেজিলিয়েন্সি বলছেন। এর মানে হলো, যেকোনো সঙ্কটে প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো এবং সেবা যেন অটুট থাকে তা নিশ্চিত করা।
ইউক্রেনের এই উদ্যোগ বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যেসব দেশ নানা ধরনের রাজনৈতিক বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়, তাদের জন্য এটি শিক্ষণীয়। ডেনিকিয়েভা জানিয়েছেন, তারা AI ব্যবহার করে নাগরিকদের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান দিতে চান। যেমন ডিজিটাল আইডি, সরকারি সেবা সহজ করা এবং জরুরি তথ্য সরবরাহ।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তি তৈরি করার সময় শুধু সুবিধা নয়, নিরাপত্তার দিকটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাদের শিখিয়েছে, কোনো সিস্টেমই সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। তাই প্রতিটি স্তরেই সুরক্ষা জোরদার করা জরুরি।
বাংলাদেশের জন্যও এই খবর বেশ প্রাসঙ্গিক। আমাদের দেশেও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ চলছে। সরকারি সেবা যেমন ই-নথি, ডিজিটাল লেনদেন এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ছে। ইউক্রেনের মতো সঙ্কটকালীন সময়েও এই সেবাগুলো কীভাবে চালু রাখা যায়, সেটি আমাদের ভাবতে হবে। বাংলাদেশের ডেভেলপার ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও এটি একটি বড় সুযোগ। তারা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও কাজ করে যাওয়া ইউক্রেনীয় টিমগুলোর কাছ থেকে শিখতে পারেন।
ভবিষ্যতে আরও বেশি দেশ যুদ্ধ বা দুর্যোগের সময় ডিজিটাল রেজিলিয়েন্সি নিয়ে কাজ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইউক্রেনের এই উদ্যোগ দেখিয়ে দিচ্ছে, প্রযুক্তি শুধু উন্নয়নের জন্যই নয়, বেঁচে থাকার জন্যও প্রয়োজনীয়।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...