যানজটে সময় বাঁচাবে নতুন AI সিস্টেম, সিগন্যালে আর বসে থাকতে হবে না
স্থির সময়ের ট্রাফিক সিগন্যালের অদক্ষতা দূর করতে রিয়েল-টাইম যানবাহন গণনার ওপর ভিত্তি করে একটি অ্যাডাপটিভ ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম তৈরি করেছে গবেষকরা। রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং এজেন্ট ব্যবহার করে এই সিস্টেম ফেজ সিকোয়েন্সিং অপটিমাইজ করে যানজট কমাতে সক্ষম।
স্থির সময়ের ট্রাফিক সিগন্যালের অদক্ষতা দূর করতে রিয়েল-টাইম যানবাহন গণনার ওপর ভিত্তি করে একটি অ্যাডাপটিভ ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম তৈরি করেছে গবেষকরা। রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং এজেন্ট ব্যবহার করে এই সিস্টেম ফেজ সিকোয়েন্সিং অপটিমাইজ করে যানজট কমাতে সক্ষম।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর মোড়ে মোড়ে যানজট একটি নিত্যদিনের সমস্যা। এই সমস্যার সমাধানে নতুন একটি গবেষণা সামনে এসেছে। dev.to ML সূত্রে জানা গেছে, গবেষকরা একটি অ্যাডাপটিভ ট্রাফিক অপটিমাইজেশন সিস্টেম তৈরি করেছেন যা রিয়েল-টাইম যানবাহন গণনার ওপর ভিত্তি করে ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ করবে।
বর্তমানে অধিকাংশ ট্রাফিক সিগন্যাল নির্দিষ্ট সময়ের সাইকেলে চলে। এই স্থির নিয়ন্ত্রকগুলো রাস্তার বাস্তব অবস্থা বুঝতে পারে না। ফলে অসম মোড়ে সবুজ সিগন্যালের সময় অদক্ষভাবে বরাদ্দ হয় এবং যানজট বেড়ে যায়। গবেষণাপত্রে এই সমস্যাটিকে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
গবেষকরা এই সমস্যার সমাধানে একটি অ্যাডাপটিভ ট্রাফিক সিগন্যাল কন্ট্রোল সিস্টেম তৈরি করেছেন। এই সিস্টেম প্রতিটি অ্যাপ্রোচে রিয়েল-টাইম যানবাহনের সংখ্যা গণনা করে। এরপর একটি ডায়নামিক এজেন্ট বা রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং এজেন্ট সেই ডেটা ব্যবহার করে ফেজ সিকোয়েন্সিং অপটিমাইজ করে।
রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং একটি মেশিন লার্নিং কৌশল। এই কৌশলে একটি এজেন্ট নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শেখে। এজেন্ট পরিবেশের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে সেরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করে। এই সিস্টেমে এজেন্ট ট্রাফিক ডেটা দেখে শিখবে কোন মোড়ে কখন সবুজ সিগন্যাল দেওয়া উচিত।
এই সিস্টেমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি স্থির নিয়ন্ত্রকের তুলনায় অনেক বেশি নমনীয়। স্থির নিয়ন্ত্রক নির্দিষ্ট সময়ে সবুজ সিগন্যাল দেয়। কিন্তু অ্যাডাপটিভ সিস্টেম রিয়েল-টাইম অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে যেখানে বেশি যানবাহন জমেছে, সেখানে বেশি সময় সবুজ সিগন্যাল থাকে।
বাংলাদেশের জন্য এই গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরগুলোতে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ যানজটে সময় নষ্ট করে। এই সিস্টেম ব্যবহার করলে যানজট উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে। ফ্রিল্যান্সার ও শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় গবেষণা ক্ষেত্র।
তবে এই সিস্টেম বাস্তবায়নের জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। সঠিক সেন্সর স্থাপন, ডেটা সংগ্রহ এবং এআই মডেল ট্রেনিং প্রয়োজন। তবুও দীর্ঘমেয়াদে এই প্রযুক্তি বাংলাদেশের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। ভবিষ্যতে আরও গবেষণা এবং পরীক্ষামূলক প্রয়োগের মাধ্যমে এই সিস্টেমকে আরও উন্নত করা সম্ভব।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to ML
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...