তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে সরকার, গবেষণায় মিলবে পূর্ণ সহায়তা
প্রধানমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের প্রতি সরকারের পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ উদ্যোগে সরকার সব সময় পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের প্রতি সরকারের পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ উদ্যোগে সরকার সব সময় পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন যে, তরুণ উদ্ভাবক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের পাশে সব সময় থাকবে সরকার। তিনি বলেছেন, তরুণ উদ্ভাবকেরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাঁদের গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ উদ্যোগে সরকার সব সময় পাশে থাকবে।
এই ঘোষণা বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাতে সরকারের এই প্রতিশ্রুতি দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। প্রোথোম আলো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এই আশ্বাস দিয়েছেন একটি আধুনিক প্রযুক্তি-বান্ধব বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে।
তরুণরা যেন ঘরে বসে নিজেদের আইডিয়া বাস্তবায়ন করতে পারে, সেজন্য সরকার নানা ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। গবেষণা খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি স্টার্টআপদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের কাজ চলছে। প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা যাতে সহজে ঋণ পায়, সেজন্য ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করছে সরকার। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা ল্যাব ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে কাজ চলছে।
বাংলাদেশে প্রতিবছর হাজার হাজার তরুণ প্রকৌশলী ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী graduate হচ্ছে। কিন্তু তাদের অনেকেই পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ায় বিদেশে পাড়ি জমায়। সরকারের এই নতুন প্রতিশ্রুতি সেই ধারা বদলাতে সাহায্য করবে। স্থানীয় স্টার্টআপগুলোতে বিনিয়োগ বাড়লে দেশের বেকারত্ব কমবে এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও এটি ইতিবাচক বার্তা, কারণ সরকারের সমর্থন মানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো আরও নির্ভরযোগ্য হবে।
তুলনামূলকভাবে দেখা গেলে, প্রতিবেশী দেশ ভারত ও চীনে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সরকার বিশেষ নীতিমালা তৈরি করেছে। বাংলাদেশও এখন সেই পথেই হাঁটছে। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর প্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, আগামী ৫ বছরে দেশে অন্তত ১০ হাজার নতুন টেক স্টার্টআপ গড়ে উঠবে। এর মাধ্যমে দেশের জিডিপিতে প্রযুক্তি খাতের অবদান আগের চেয়ে অনেক বাড়বে।
তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ ও নেটওয়ার্কিং সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এবং ডেটা সায়েন্সের মতো আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা বাড়াতে জোর দিচ্ছে সরকার। নতুন প্রজন্ম যেন বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে, সেজন্য আন্তর্জাতিক মানের কোর্স ও সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম চালু করা হবে।
সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, সরকারের পাশে থাকার ঘোষণা তরুণদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। অনেকেই এখন নিজের স্টার্টআপ শুরু করতে উৎসাহিত হবেন। তবে তারা মনে করিয়ে দিয়েছেন, শুধু ঘোষণা নয়, বাস্তবায়নই মূল চাবিকাঠি। সময়মতো তহবিল ও নীতিগত সহায়তা পেলে বাংলাদেশের তরুণরা বিশ্ববাজারে নিজেদের সেরা প্রমাণ করতে পারবে।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনীতি যেন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে ওঠে, সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রতিশ্রুতি সেই পথে একটি বড় পদক্ষেপ। এখন দেখার পালা তরুণরা সেই সুযোগ কতটা কাজে লাগাতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Prothom Alo
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...