স্টার্টআপ ফান্ড ১০০০ কোটি টাকা, চাকরি হবে ৭ হাজারের বেশি
আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব জানিয়েছেন, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ফান্ডের আকার ১ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হবে। বর্তমান পোর্টফোলিও স্টার্টআপগুলো ৭ হাজারের বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং ১৮০ কোটি টাকার বেশি কর পরিশোধ করেছে।
আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব জানিয়েছেন, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ফান্ডের আকার ১ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হবে। বর্তমান পোর্টফোলিও স্টার্টআপগুলো ৭ হাজারের বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং ১৮০ কোটি টাকার বেশি কর পরিশোধ করেছে।
বাংলাদেশের উদীয়মান স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে বড় অগ্রগতি হচ্ছে। আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব জানিয়েছেন, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ফান্ডের আকার বাড়িয়ে ১ হাজার কোটি টাকা করা হবে। এই ঘোষণা দেশের প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সংসদে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইসিটি মন্ত্রী জানান, বর্তমানে এই ফান্ডের আওতায় থাকা পোর্টফোলিও স্টার্টআপগুলো ৭ হাজারের বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি এই স্টার্টআপগুলো সরকারকে ১৮০ কোটি টাকার বেশি কর প্রদান করেছে। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে সঠিক বিনিয়োগ ও নীতিসহায়তা পেলে স্টার্টআপ খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্টার্টআপ বাংলাদেশ ফান্ড ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রাথমিকভাবে এর আকার ছিল ২০০ কোটি টাকা। বর্তমানে এই ফান্ড থেকে বিভিন্ন স্টার্টআপকে বিনিয়োগ ও মেন্টরিং সেবা দেওয়া হচ্ছে। ফান্ডের আকার বাড়ানোর ফলে আরও বেশি উদ্যোক্তা এই সুবিধা পাবেন। বিশেষ করে কৃষি প্রযুক্তি, শিক্ষা প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং ফিনটেক খাতে কাজ করা স্টার্টআপগুলো উপকৃত হবে।
বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম বর্তমানে দ্রুত বাড়ছে। দেশের তরুণ উদ্যোক্তারা নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করছে। কিন্তু মূলধনের অভাবে অনেক ভালো আইডিয়া বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। এই ফান্ড সম্প্রসারণ সেই সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে। আইসিটি মন্ত্রী বলেছেন, সরকার স্টার্টআপ খাতের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা দিচ্ছে।
বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এই খবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ফান্ড থেকে বিনিয়োগ পেতে সহজ শর্ত ও কম সুদের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে করে নতুন উদ্যোক্তারা সহজেই তাদের ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। পাশাপাশি বিদ্যমান স্টার্টআপগুলো তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারবে।
সরকারের এই উদ্যোগ বাংলাদেশকে ডিজিটাল অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে সহায়ক হবে। আইসিটি মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই ফান্ডের আকার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া স্টার্টআপদের জন্য কর অবকাশ ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও ভাবছে সরকার।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Daily Star Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...