স্পর্শ অনুভব করা রোবট আসছে, বাংলাদেশে চাকরির বাজার বদলে দেবে
চীনের স্পর্শ-সংবেদন প্রযুক্তি কোম্পানি Yimu Technology ১ বিলিয়ন ইউয়ানের বেশি তহবিল সংগ্রহ করে ইউনিকর্ন হয়েছে। একইসঙ্গে সাংহাই মানবাকৃতি রোবটের পাইলট উৎপাদন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে এবং Zhiyuan Robotics ৬০টি রোবট নিয়ে 'ডিপ্লয়মেন্টের প্রথম বছর' ঘোষণা করেছে।
চীনের স্পর্শ-সংবেদন প্রযুক্তি কোম্পানি Yimu Technology ১ বিলিয়ন ইউয়ানের বেশি তহবিল সংগ্রহ করে ইউনিকর্ন হয়েছে। একইসঙ্গে সাংহাই মানবাকৃতি রোবটের পাইলট উৎপাদন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে এবং Zhiyuan Robotics ৬০টি রোবট নিয়ে 'ডিপ্লয়মেন্টের প্রথম বছর' ঘোষণা করেছে।
চীনের প্রযুক্তি জগতে একের পর এক বড় খবর এসেছে। স্পর্শ অনুভব করতে পারে এমন রোবট তৈরির কোম্পানি Yimu Technology তাদের সিরিজ E রাউন্ডে ১ বিলিয়ন ইউয়ানের বেশি তহবিল সংগ্রহ করেছে। এই বিনিয়োগের ফলে কোম্পানিটির মূল্যায়ন ১০ বিলিয়ন ইউয়ান ছাড়িয়ে গেছে এবং এটি নতুন ইউনিকর্ন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
Yimu Technology মূলত ট্যাক্টাইল সেন্সিং বা স্পর্শ-সংবেদন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে। এই প্রযুক্তি রোবটকে বস্তুর স্পর্শ, চাপ ও টেক্সচার অনুভব করতে সাহায্য করে। এ ধরনের প্রযুক্তি ভবিষ্যতে মানবাকৃতি রোবটকে আরও স্বাভাবিক ও দক্ষ করে তুলবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্পর্শ-সংবেদন ছাড়া রোবট কখনোই মানুষের মতো কাজ করতে পারবে না।
একইসঙ্গে সাংহাই শহর একটি মানবাকৃতি রোবটের পাইলট উৎপাদন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। এই প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ২,০০০ ইউনিট। ইতিমধ্যেই ৪০টির বেশি কোম্পানি এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে। সরকার ও শিল্পের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই প্ল্যাটফর্ম চীনের মানবাকৃতি রোবট শিল্পকে বাণিজ্যিক স্তরে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
Zhiyuan Robotics সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কনফারেন্সে বা WAIC-এ বড় ঘোষণা দিয়েছে। কোম্পানিটি ২০২৪ সালকে 'ডিপ্লয়মেন্টের প্রথম বছর' হিসেবে ঘোষণা করেছে। WAIC ভেন্যুতে তারা ৬০টি রোবট মোতায়েন করেছে যা দর্শনার্থীদের বিভিন্ন সেবা দিচ্ছে। এসব রোবট মানুষের সঙ্গে কথা বলছে, পথ দেখাচ্ছে এবং তথ্য দিচ্ছে।
এই খবর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা দেখতে পাচ্ছেন যে রোবটিকস ও AI খাতে বিনিয়োগের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। তারা চীনের এই উদ্যোগগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের রোবটিকস গবেষণা এগিয়ে নিতে পারে।
ফ্রিল্যান্সার ও ডেভেলপারদের জন্যও এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। রোবটিকস ও AI প্রযুক্তির চাহিদা বাড়লে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটা সায়েন্স ও মেশিন লার্নিং-এ দক্ষ পেশাদারদের প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম যদি এখন থেকেই এই বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে, তাহলে তারা ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।
ভবিষ্যতে আরও বেশি কোম্পানি স্পর্শ-সংবেদন ও মানবাকৃতি রোবটের দিকে ঝুঁকবে। এই প্রযুক্তি শুধু কারখানা নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনেও বিপ্লব আনতে পারে। বাংলাদেশের জন্য এখনই সময় নিজেদের প্রস্তুত করার।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...