সেমিকন্ডাক্টর শুল্ক ১% এ নামল, বাংলাদেশের চিপ শিল্পে নতুন দিগন্ত
সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য বড় কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে। মূল কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ১ শতাংশে নামিয়ে আনা হচ্ছে ২০৩১ সাল পর্যন্ত। এই পদক্ষেপ দেশের চিপ শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য বড় কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে। মূল কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ১ শতাংশে নামিয়ে আনা হচ্ছে ২০৩১ সাল পর্যন্ত। এই পদক্ষেপ দেশের চিপ শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকার সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উন্নয়নে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চিপ উৎপাদনের মূল কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ১ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এই সুবিধা ২০৩১ সালের মধ্যভাগ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
দ্য ডেইলি স্টার টেকের খবর অনুযায়ী, এই প্রস্তাবের মাধ্যমে সরকার দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক করতে চায়। বর্তমানে এই খাতের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক হার অনেক বেশি, যা স্থানীয় উৎপাদকদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
সেমিকন্ডাক্টর শিল্প মূলত চিপ বা মাইক্রোচিপ উৎপাদনের সাথে জড়িত। এই চিপ কম্পিউটার, স্মার্টফোন, গাড়ি এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশে এই খাত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, কিন্তু সরকারের নতুন নীতি এখানে বড় বিনিয়োগ আনতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেটে আরও বলা হয়েছে যে, সেমিকন্ডাক্টর খাতের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ তৈরি করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে করমুক্ত মেয়াদ বাড়ানো এবং নতুন কারখানা স্থাপনের জন্য জমি ও অবকাঠামো সুবিধা। সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগ দেশে চিপ ডিজাইন ও উৎপাদনের একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলবে।
বাংলাদেশের জন্য এই সিদ্ধান্তের অর্থ অনেক। দেশের তরুণ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা এখন নিজেদের দেশে চিপ ডিজাইন ও উৎপাদনের সুযোগ পাবেন। ফ্রিল্যান্সার ও স্টার্টআপগুলোর জন্য এটি নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। বিশ্বব্যাপী চিপ সংকটের এই সময়ে বাংলাদেশ যদি নিজস্ব চিপ উৎপাদনে সক্ষম হয়, তাহলে রপ্তানি আয়েও বড় পরিবর্তন আসবে।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, শুধু শুল্ক কমানোই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন skilled manpower তৈরি, গবেষণায় বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর সাথে অংশীদারিত্ব। সরকারের এই উদ্যোগ যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।
সব মিলিয়ে, ২০২৬-২৭ বাজেটের এই প্রস্তাব বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য একটি মাইলফলক। এখন দেখার বিষয়, সংসদে বাজেট পাস হওয়ার পর এই সুবিধাগুলো কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Daily Star Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...