পেটিএম-এ চাকরির সুযোগ: ৯ মাসে ৪ হাজার নিয়োগ, AI-তে বড় বাজি
ভারতীয় ফিনটেক জায়ান্ট Paytm AI-চালিত পণ্য ও মার্চেন্ট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে 9 মাসে 4,000 জন নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই পিভটের অংশ হিসেবে কিছু পদ কাটছাঁটও করা হবে।
ভারতীয় ফিনটেক জায়ান্ট Paytm AI-চালিত পণ্য ও মার্চেন্ট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে 9 মাসে 4,000 জন নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই পিভটের অংশ হিসেবে কিছু পদ কাটছাঁটও করা হবে।
ভারতীয় ফিনটেক অগ্রগামী প্রতিষ্ঠান Paytm কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-ভিত্তিক পণ্য ও মার্চেন্ট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে। ব্লুমবার্গ টেকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংস্থাটি আগামী 9 মাসে প্রায় 4,000 জন নতুন কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এই নিয়োগের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি কিছু নির্দিষ্ট ভূমিকা কাটছাঁটও করবে।
এই সিদ্ধান্তটি Paytm-এর ব্যবসায়িক কৌশলে একটি বড় পরিবর্তন নির্দেশ করে। প্রতিষ্ঠানটি এখন AI-চালিত পণ্য ও সেবার দিকে জোর দিচ্ছে। এই পিভটের মাধ্যমে তারা গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের জন্য আরও স্মার্ট এবং স্বয়ংক্রিয় সমাধান আনতে চায়। বিশেষ করে তাদের মার্চেন্ট নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, নতুন নিয়োগকৃতরা মূলত AI, মেশিন লার্নিং এবং পণ্য উন্নয়ন বিভাগে কাজ করবে। Paytm তাদের বিদ্যমান পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি AI-চালিত ক্রেডিট স্কোরিং, ব্যক্তিগতকৃত আর্থিক পরামর্শ এবং স্বয়ংক্রিয় গ্রাহক সেবা চালু করতে চায়। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ প্রদান প্রক্রিয়াও সহজ করবে।
কিছু পদ কাটছাঁটের বিষয়টি কোম্পানির পুনর্গঠনের অংশ। পুরনো প্রযুক্তি ও ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় কাজ করা কিছু ভূমিকা অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ছে। Paytm AI-তে স্থানান্তরিত হওয়ার সাথে সাথে তারা তাদের কর্মীবাহিনীকে আরও দক্ষ ও ফোকাসড করতে চায়। এই পরিবর্তনে কিছু কর্মীকে নতুন ভূমিকায় পুনরায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশের ফিনটেক ও প্রযুক্তি খাতের জন্য এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের স্টার্টআপ ও ডেভেলপাররা Paytm-এর এই পিভট থেকে শিক্ষা নিতে পারে। AI-তে বিনিয়োগ কিভাবে একটি প্রতিষ্ঠানকে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে পারে তা এই উদাহরণ থেকে স্পষ্ট। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ও সফটওয়্যার ডেভেলপারদের জন্য AI দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে। কারণ বিশ্বব্যাপী ফিনটেক কোম্পানিগুলো AI-ভিত্তিক সমাধানের দিকে ঝুঁকছে।
এছাড়া বাংলাদেশের ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসগুলোও এই প্রবণতা থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারে। তারা তাদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে AI চালু করে গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারে। যেমন bKash বা Nagad-এর মতো প্রতিষ্ঠান AI ব্যবহার করে জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং ব্যক্তিগতকৃত অফার দিতে পারে।
সামগ্রিকভাবে, Paytm-এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে AI শুধু একটি ট্রেন্ড নয়, বরং ফিনটেক শিল্পের ভবিষ্যৎ। এই খাতে টিকে থাকতে এবং বেড়ে উঠতে AI গ্রহণ এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। আগামী দিনে আরও বেশি ফিনটেক কোম্পানি AI-তে বিনিয়োগ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...