OpenAI ট্রাম্পকে মাত্র ৫% শেয়ার দিচ্ছে, বাংলাদেশের স্টার্টআপের জন্য কী বার্তা
ওপেনএআই যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে মাত্র ৫ শতাংশ শেয়ার দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে। এই প্রস্তাব সিনেটর স্যান্ডার্সের নির্ধারিত লক্ষ্যের তুলনায় অনেক কম। স্যাম অল্টম্যান নিজেই ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে এই চুক্তি নিয়ে সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছেন।
ওপেনএআই যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে মাত্র ৫ শতাংশ শেয়ার দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে। এই প্রস্তাব সিনেটর স্যান্ডার্সের নির্ধারিত লক্ষ্যের তুলনায় অনেক কম। স্যাম অল্টম্যান নিজেই ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে এই চুক্তি নিয়ে সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছেন।
ওপেনএআই যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে একটি ছোট অংশীদারিত্বের প্রস্তাব দিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) গবেষণা সংস্থাটি ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে ৫ শতাংশ শেয়ার দেওয়ার কথা ভাবছে। আর্স টেকনিকার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এই প্রস্তাব সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের পূর্ববর্তী লক্ষ্যের তুলনায় অনেক কম। স্যান্ডার্স চেয়েছিলেন সরকার যেন ওপেনএআই-এর একটি বড় অংশীদার হয়। তার প্রস্তাবে সরকারের জন্য আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ ও মালিকানার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান আলোচনায় সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে।
ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান এই চুক্তি নিয়ে সরাসরি আলোচনা করছেন। ইনসাইডাররা জানিয়েছেন, অল্টম্যান ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করছেন। এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো সরকারের সাথে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব তৈরি করা।
ওপেনএআই বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান AI কোম্পানিগুলোর একটি। তাদের চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত হচ্ছে। সরকারের সাথে এই অংশীদারিত্ব কোম্পানিটির জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে ৫ শতাংশ শেয়ার দেওয়ার অর্থ হলো সরকারের খুব সীমিত নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ওপেনএআই-এর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরাসরি অংশ নিতে পারবে না। বরং এটি একটি প্রতীকী অংশীদারিত্ব হিসেবেই দেখা হচ্ছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই প্রস্তাব মূলত রাজনৈতিক সম্পর্ক মজবুত করার জন্যই দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য এই খবর গুরুত্বপূর্ণ কারণ ওপেনএআই-এর সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী AI নীতিকে প্রভাবিত করে। বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার ও শিক্ষার্থীরা চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে। সরকারের অংশীদারিত্বের ফলে AI প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারে পরিবর্তন আসতে পারে। বাংলাদেশের প্রযুক্তি ব্যবসাও এই পরিবর্তনের প্রভাব অনুভব করবে।
ভবিষ্যতে এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে AI শিল্পে সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হতে পারে। ওপেনএআই-এর এই পদক্ষেপ অন্যান্য AI কোম্পানির জন্যও একটি উদাহরণ তৈরি করবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Ars Technica AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...