মুরগির মাংসের সেরা জুটি বেছে নেবে AI, জানুন কীভাবে কাজ করবে
লন্ডনভিত্তিক স্টার্টআপ Kaikaku.AI এপিকিউর নামে তিনটি AI মডেল চালু করেছে। এগুলো রেসিপি-ভিত্তিক এবং রসায়ন-ভিত্তিক উপাদান সুপারিশ আলাদা করে। রসায়ন-ভিত্তিক মডেলটি স্বাদ ও পুষ্টি শ্রেণীবদ্ধ করতে রেসিপি-ভিত্তিক মডেলকেও ছাড়িয়ে গেছে।
লন্ডনভিত্তিক স্টার্টআপ Kaikaku.AI এপিকিউর নামে তিনটি AI মডেল চালু করেছে। এগুলো রেসিপি-ভিত্তিক এবং রসায়ন-ভিত্তিক উপাদান সুপারিশ আলাদা করে। রসায়ন-ভিত্তিক মডেলটি স্বাদ ও পুষ্টি শ্রেণীবদ্ধ করতে রেসিপি-ভিত্তিক মডেলকেও ছাড়িয়ে গেছে।
লন্ডনভিত্তিক স্টার্টআপ Kaikaku.AI এপিকিউর নামে তিনটি নতুন AI মডেল চালু করেছে। এই মডেলগুলো প্রথমবারের মতো পরিষ্কারভাবে আলাদা করতে পারে যে একটি উপাদান রেসিপির সাথে মানানসই নাকি রাসায়নিকভাবে সম্পর্কিত। দ্য ডিকোডার এই খবর জানিয়েছে।
মডেলগুলোকে 7টি ভাষায় 4.14 মিলিয়ন রেসিপি এবং FlavorDB নামক স্বাদের ডাটাবেজের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মডেল ভিন্ন ধরনের সুপারিশ প্রদান করে। একটি মডেল শুধুমাত্র রেসিপি থেকে শেখে, অন্যটি শুধুমাত্র রসায়ন থেকে শেখে এবং তৃতীয়টি উভয়কে একত্রিত করে।
এপিকিউরের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো রসায়ন-ভিত্তিক মডেলটি। এই মডেলটি কখনো সরাসরি স্বাদ বা পুষ্টির তথ্য না দেখলেও, রেসিপি-ভিত্তিক মডেলগুলোর চেয়ে ভালোভাবে স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ শ্রেণীবদ্ধ করতে পারে। এটি প্রমাণ করে যে অণু পর্যায়ের সম্পর্ক বোঝা রান্নার পরামর্শের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি AI-কে জিজ্ঞেস করেন মুরগির মাংসের সাথে কী যায়, তাহলে রেসিপি-ভিত্তিক মডেলটি সাধারণ জনপ্রিয় সংমিশ্রণ যেমন রসুন, পেঁয়াজ এবং লেবু সুপারিশ করবে। কিন্তু রসায়ন-ভিত্তিক মডেলটি অণুর মিল খুঁজে বের করে অপ্রত্যাশিত কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত জুটি যেমন দারুচিনি বা স্ট্রবেরির মতো উপাদানের পরামর্শ দিতে পারে।
এই প্রযুক্তি রন্ধনশিল্প এবং খাদ্য বিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। শেফ এবং খাদ্য বিশেষজ্ঞরা নতুন স্বাদের সংমিশ্রণ আবিষ্কার করতে পারবেন। খাদ্য প্রস্তুতকারকরা পণ্যের স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ উন্নত করতে এই মডেল ব্যবহার করতে পারেন।
বাংলাদেশের জন্য এই খবর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার এবং ডেভেলপাররা এপিকিউরের API ব্যবহার করে নতুন ধরনের রেসিপি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন। স্থানীয় খাদ্য ব্যবসায়ীরা ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি রান্নার সাথে আধুনিক খাদ্য বিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটাতে এই প্রযুক্তি কাজে লাগাতে পারে। শিক্ষার্থীরা AI এবং খাদ্য বিজ্ঞানের সংযোগস্থলে গবেষণার নতুন সুযোগ পাবে।
ভবিষ্যতে Kaikaku.AI এপিকিউরকে আরও উন্নত করার পরিকল্পনা করছে। তারা আরও বেশি ভাষা এবং আঞ্চলিক রেসিপি অন্তর্ভুক্ত করতে চায়। এই প্রযুক্তি একদিন আমাদের রান্নাঘরে AI সহায়ক হিসেবে পৌঁছে যেতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: The Decoder
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...