মাইক্রোসফটের AI প্ল্যাটফর্ম এখন সবার জন্য, কোয়ান্টাম চিপে ১০০০ গুণ উন্নতি
মাইক্রোসফট তাদের স্বায়ত্তশাসিত এআই এজেন্ট প্ল্যাটফর্ম ডিসকভারি-কে অ্যাজুরে জেনারেল অ্যাভেইলেবল ঘোষণা করেছে। এই প্ল্যাটফর্মই তৈরি করেছে মেজোরানা ২ কোয়ান্টাম চিপ, যা নির্ভরযোগ্যতায় ১০০০ গুণ বেশি উন্নত। কোম্পানি এখন ২০২৯ সালের মধ্যে একটি স্কেলেবল কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
মাইক্রোসফট তাদের স্বায়ত্তশাসিত এআই এজেন্ট প্ল্যাটফর্ম ডিসকভারি-কে অ্যাজুরে জেনারেল অ্যাভেইলেবল ঘোষণা করেছে। এই প্ল্যাটফর্মই তৈরি করেছে মেজোরানা ২ কোয়ান্টাম চিপ, যা নির্ভরযোগ্যতায় ১০০০ গুণ বেশি উন্নত। কোম্পানি এখন ২০২৯ সালের মধ্যে একটি স্কেলেবল কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
মাইক্রোসফট তাদের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য তৈরি স্বায়ত্তশাসিত এআই এজেন্ট প্ল্যাটফর্ম মাইক্রোসফট ডিসকভারি-কে অ্যাজুরে জেনারেল অ্যাভেইলেবল বা জিএ স্ট্যাটাসে নিয়ে এসেছে। এই প্ল্যাটফর্মটি গবেষকদের জন্য একটি শক্তিশালী টুল যা জটিল বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানে এআই এজেন্টদের একটি দল নিয়োগ করতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইনফোকিউ এই খবর প্রকাশ করেছে।
মাইক্রোসফট ডিসকভারি-ই মূল ভূমিকা পালন করেছে মেজোরানা ২ নামের টপোলজিক্যাল কোয়ান্টাম চিপ তৈরিতে। এই চিপটি আগের যেকোনো কোয়ান্টাম চিপের তুলনায় ১০০০ গুণ বেশি নির্ভরযোগ্য। এছাড়াও এই চিপে কুবিটের আয়ুষ্কাল ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। সাধারণত কোয়ান্টাম চিপে কুবিটগুলো খুব অল্প সময়ের জন্য স্থিতিশীল থাকে। তাই এই ২০ সেকেন্ড সময়কাল একটি বিশাল অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, তারা এখন ২০২৯ সালের মধ্যে একটি স্কেলেবল কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য তাদের আগের সময়সীমাকে প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। অর্থাৎ কোম্পানি আগে যতদিনে একটি কার্যকর কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করবে বলে ভেবেছিল, এখন তারা তার চেয়ে অনেক দ্রুত সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায়।
মাইক্রোসফট ডিসকভারি প্ল্যাটফর্মটি অ্যাজুরে ক্লাউডে কাজ করে। এটি গবেষকদের স্বায়ত্তশাসিত এআই এজেন্ট তৈরি ও মোতায়েন করতে সাহায্য করে। এই এজেন্টরা নিজেরাই ডেটা বিশ্লেষণ করতে পারে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে পারে এবং ফলাফল মূল্যায়ন করতে পারে। এর ফলে গবেষকরা আরও জটিল সমস্যার দিকে মনোযোগ দিতে পারেন।
এই প্ল্যাটফর্মটি মাইক্রোসফটের কোয়ান্টাম গবেষণাকে ত্বরান্বিত করেছে। মেজোরানা ২ চিপ তৈরির সময়ই এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। এখন অন্যান্য বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যেমন নতুন ওষুধ আবিষ্কার, জলবায়ু পরিবর্তন মডেলিং এবং উন্নত উপকরণ বিজ্ঞানে এই প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও গবেষণা খাতের জন্য এই খবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন অ্যাজুরের মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারবে। এটি বাংলাদেশি গবেষকদের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করবে। তারা জটিল বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানে এআই-চালিত টুল ব্যবহার করতে পারবে। বিশেষ করে ফার্মাসিউটিক্যালস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে এই প্রযুক্তি কাজে লাগানো সম্ভব।
মাইক্রোসফটের এই ঘোষণা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের ভবিষ্যৎকে আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে একটি স্কেলেবল কোয়ান্টাম কম্পিউটার বাস্তবে রূপ নিতে পারে। এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: InfoQ AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...