লিঙ্কডইন-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা মাইক্রোসফট বোর্ড ছেড়ে নতুন AI কোম্পানিতে মনোযোগ দেবেন
লিঙ্কডইনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট রিড হফম্যান মাইক্রোসফটের বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিজের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানিতে পুরোদমে মনোযোগ দিতেই এই পদক্ষেপ। শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রযুক্তি জগতে AI স্টার্টআপগুলোর ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের ইঙ্গিত দেয়।
লিঙ্কডইনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট রিড হফম্যান মাইক্রোসফটের বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিজের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানিতে পুরোদমে মনোযোগ দিতেই এই পদক্ষেপ। শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রযুক্তি জগতে AI স্টার্টআপগুলোর ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের ইঙ্গিত দেয়।
লিঙ্কডইনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও বিনিয়োগকারী রিড হফম্যান মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের বোর্ড অফ ডিরেক্টরস থেকে পদত্যাগ করবেন। ব্লুমবার্গ টেকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি এই বছরের শেষের দিকে বোর্ড ছাড়বেন। হফম্যান নিজেই জানিয়েছেন, তিনি তার নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কোম্পানিতে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চান।
এই পদক্ষেপ প্রযুক্তি জগতে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। শীর্ষ প্রযুক্তি নেতারা এখন AI খাতে আরও বেশি করে মনোনিবেশ করছেন। হফম্যানের মতো একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের বোর্ড ছাড়া শুধু একটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং পুরো শিল্পের জন্য একটি সংকেত।
রিড হফম্যান ২০০৩ সালে লিঙ্কডইন প্রতিষ্ঠা করেন। মাইক্রোসফট ২০১৬ সালে এই পেশাদার নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মটি ২৬.২ বিলিয়ন ডলারে কিনে নেয়। তারপর থেকে হফম্যান মাইক্রোসফটের বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেলার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবেও পরিচিত।
হফম্যানের নতুন AI কোম্পানিটি এখনো পুরোপুরি প্রকাশ্যে আসেনি। তবে তিনি ইতোমধ্যে AI খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের জন্য পরিচিত। তিনি অক্সফোর্ড-ভিত্তিক AI গবেষণা সংস্থা Inflection AI-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়া তিনি OpenAI-এর প্রথম দিকের বিনিয়োগকারীদের একজন। তার এই নতুন উদ্যোগ নিয়ে প্রযুক্তি মহলে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্যও এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তারা AI প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন পণ্য ও পরিষেবা তৈরি করছেন। হফম্যানের মতো শীর্ষ নেতাদের AI-তে মনোযোগ দেওয়ার অর্থ হলো, এই খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ ও চাকরির সুযোগ তৈরি হবে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য AI দক্ষতা অর্জন এখন আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।
মাইক্রোসফটের বোর্ড থেকে হফম্যানের প্রস্থান কোম্পানির কৌশলে কোনো বড় পরিবর্তন আনবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি প্রমাণ করে যে AI এখন প্রযুক্তি শিল্পের সবচেয়ে উত্তপ্ত ক্ষেত্র। আগামী দিনে আরও অনেক শীর্ষ নির্বাহী তাদের মূল মনোযোগ AI-তে সরিয়ে নিতে পারেন। এই পরিবর্তনের পুরো প্রভাব বুঝতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...