কোয়ালকমের AI চিপে বিপ্লব, ২০২৯ সালে আয় ১৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে
চিপমেকার কোম্পানি Qualcomm আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে ডাটা সেন্টারের জন্য AI কম্পোনেন্ট থেকে বার্ষিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। এই খবরে কোম্পানির শেয়ার দাম প্রি-মার্কেট ট্রেডিংয়ে বেড়ে গেছে। এটি প্রমাণ করে যে AI চিপের চাহিদা শুধু মোবাইল ডিভাইসের বাইরেও দ্রুত বাড়ছে।
চিপমেকার কোম্পানি Qualcomm আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে ডাটা সেন্টারের জন্য AI কম্পোনেন্ট থেকে বার্ষিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। এই খবরে কোম্পানির শেয়ার দাম প্রি-মার্কেট ট্রেডিংয়ে বেড়ে গেছে। এটি প্রমাণ করে যে AI চিপের চাহিদা শুধু মোবাইল ডিভাইসের বাইরেও দ্রুত বাড়ছে।
Qualcomm Inc. শেয়ার দাম প্রি-মার্কেট ট্রেডিংয়ে বেড়ে গেছে। চিপমেকার কোম্পানিটি ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে ২০২৯ সালের মধ্যে ডাটা সেন্টারে AI কম্পোনেন্ট থেকে তাদের বার্ষিক বিক্রি ১৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। Bloomberg Tech এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই পূর্বাভাস Qualcomm-এর জন্য একটি বড় মাইলফলক। এটি দেখায় যে কোম্পানি শুধু স্মার্টফোন চিপের ওপর নির্ভর না করে AI ডাটা সেন্টারের বিশাল বাজারে নিজেকে জায়গা করে নিচ্ছে। AI চিপের চাহিদা এখন দ্রুত বাড়ছে। বড় টেক কোম্পানিগুলো তাদের ডাটা সেন্টারে AI মডেল চালানোর জন্য শক্তিশালী চিপ কিনছে।
Qualcomm মূলত মোবাইল ফোনের চিপের জন্য পরিচিত। কিন্তু এখন তারা AI সার্ভারের জন্যও চিপ তৈরি করছে। তাদের নতুন চিপগুলো বিশেষভাবে AI কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই চিপগুলো দ্রুত ডাটা প্রসেস করতে পারে এবং কম শক্তি খরচ করে। ২০২৯ সালের মধ্যে এই বাজার থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য খুবই উচ্চাকাঙ্ক্ষী।
এই ঘোষণা Qualcomm-এর প্রতিযোগীদের জন্যও একটি সংকেত। Nvidia বর্তমানে AI চিপ বাজারে শীর্ষে আছে। কিন্তু Qualcomm-এর এই পরিকল্পনা দেখায় যে তারা সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামতে প্রস্তুত। এছাড়া Intel এবং AMD-ও AI চিপ বাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। এই প্রতিযোগিতার ফলে AI চিপের দাম কমতে পারে এবং প্রযুক্তি আরও দ্রুত উন্নত হবে।
বাংলাদেশের জন্য এই খবর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে AI এবং ডাটা সায়েন্স নিয়ে কাজ করা ডেভেলপার ও ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা বাড়ছে। Qualcomm-এর মতো কোম্পানিগুলো যদি সস্তা ও শক্তিশালী AI চিপ বাজারে আনে, তাহলে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ও ছোট ব্যবসাগুলো কম খরচে AI প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে। শিক্ষার্থীরাও আরও সহজে AI মডেল ট্রেনিং করতে পারবে।
ভবিষ্যতে AI চিপের বাজার আরও বড় হবে। Qualcomm-এর এই পূর্বাভাস সেই বাস্তবতাকেই প্রতিফলিত করে। বাংলাদেশের তরুণ প্রযুক্তিবিদদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। তারা এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারে এবং বিশ্ববাজারে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...