কোডিং না জেনেই ৫৪ বছর বয়সী সেলস ভেটেরান বানালেন AI কোচ, শিখুন তার কৌশল
চীন থেকে আসা 54 বছর বয়সী এক সেলস ভেটেরান, যিনি কোডিং জানেন না, তিনি নিজেই একটি AI টুল তৈরি করেছেন। এই টুলটি নতুন সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভদের সাধারণ ভুল এড়াতে সাহায্য করবে। তার 30 বছরের B2B সেলস অভিজ্ঞতা AI-তে সংরক্ষণ করে তিনি দেখিয়েছেন যে প্রযুক্তি কারও জন্যই সীমাবদ্ধ নয়।
চীন থেকে আসা 54 বছর বয়সী এক সেলস ভেটেরান, যিনি কোডিং জানেন না, তিনি নিজেই একটি AI টুল তৈরি করেছেন। এই টুলটি নতুন সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভদের সাধারণ ভুল এড়াতে সাহায্য করবে। তার 30 বছরের B2B সেলস অভিজ্ঞতা AI-তে সংরক্ষণ করে তিনি দেখিয়েছেন যে প্রযুক্তি কারও জন্যই সীমাবদ্ধ নয়।
বয়স বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা কি কাউকে উদ্ভাবন থেকে বিরত রাখতে পারে? চীনের এক 54 বছর বয়সী সেলস ভেটেরান এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। তিনি নিজের 30 বছরের B2B সেলস অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে একটি AI সেলস কোচ টুল তৈরি করেছেন। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, তিনি কোনো কোডিং জানেন না।
এই সেলস ভেটেরানের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তিনি dev.to-তে একটি ব্লগপোস্টে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তিনি চীনে শিল্প অটোমেশন, রোবট এবং প্রিসিশন মেশিনারি বিক্রি করে 30 বছর কাটিয়েছেন। কিন্তু গত বছর তিনি একটি AI টুল বানানোর সিদ্ধান্ত নেন। তার লক্ষ্য ছিল তার সমস্ত অভিজ্ঞতা AI-তে স্থানান্তর করা।
তিনি বলেন, তিনি AI কে শুধু আকর্ষণীয় বলে মনে করেননি। বরং তিনি দেখেছেন যে নতুন সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভরা প্রায়ই একই ভুল করছে যা তিনি 25 বছর আগে করেছিলেন। এই ভুলগুলি শেখানোর মতো কেউ দ্রুত নেই। তাই তিনি নিজেই একটি সমাধান তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন।
B2B সেলসের একটি বড় সমস্যা হলো, বেশিরভাগ সেলসপারসন ভুল ব্যক্তির সাথে কথা বলে। তারা একটি কোম্পানির ভেতরে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীকে খুঁজে পায় না। এই AI টুলটি সেই সমস্যার সমাধান করতে পারে। এটি নতুন সেলসপারসনদের সঠিক পথ দেখাবে এবং তাদের সময় বাঁচাবে।
এই টুলটি তৈরি করার জন্য ভেটেরান সেলসম্যান কোনো কোডিং ভাষা শেখেননি। তিনি নো-কোড বা লো-কোড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেছেন। এটি প্রমাণ করে যে AI টুল তৈরি করা এখন সবার জন্য সম্ভব। আপনার যদি ডোমেন জ্ঞান থাকে, তাহলে আপনি সহজেই একটি কার্যকর AI টুল তৈরি করতে পারেন।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশে প্রচুর তরুণ ফ্রিল্যান্সার এবং সেলসপ্রফেশনাল রয়েছে। তারা প্রায়ই একই ভুল করে। এই উদাহরণ তাদের দেখায় যে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে একটি AI টুল তৈরি করা সম্ভব। এতে করে তারা নিজেদের কাজ আরও দক্ষ করতে পারবে এবং নতুন ক্লায়েন্ট পেতে পারবে।
এছাড়াও, বাংলাদেশের শিক্ষার্থী এবং উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি বড় শিক্ষা। প্রযুক্তি শেখার জন্য কোডিং জানা জরুরি নয়। বরং নিজের ক্ষেত্রের গভীর জ্ঞান থাকলেই একটি ভালো AI টুল তৈরি করা যায়। এটি প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করে।
ভবিষ্যতে আমরা আরও অনেক সেক্টর-নির্দিষ্ট AI টুল দেখতে পাব। এই টুলগুলি বিশেষজ্ঞদের হাতে তৈরি হবে। তারা নিজেদের জ্ঞান AI-তে স্থানান্তর করবে। এটি ব্যবসা ও শিল্পে নতুন বিপ্লব আনতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...