কানাডায় ৩৩% কর্মী এখন কাজে AI ব্যবহার করেন, বাংলাদেশের চাকরির বাজারেও প্রভাব পড়বে!
কানাডার কর্মক্ষেত্রে জেনারেটিভ এআই-এর গ্রহণ দ্রুত বাড়ছে। নতুন এক জরিপ বলছে, এক-তৃতীয়াংশের বেশি কর্মী এখন কাজে এআই টুল ব্যবহার করেন। এই প্রবণতা বিশ্বব্যাপী কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দিচ্ছে।
কানাডার কর্মক্ষেত্রে জেনারেটিভ এআই-এর গ্রহণ দ্রুত বাড়ছে। নতুন এক জরিপ বলছে, এক-তৃতীয়াংশের বেশি কর্মী এখন কাজে এআই টুল ব্যবহার করেন। এই প্রবণতা বিশ্বব্যাপী কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দিচ্ছে।
কানাডার কর্মক্ষেত্রে জেনারেটিভ এআই-এর ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ডিজিটাল ওয়াচ অবজারভেটরির এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি কর্মী এখন কাজের সময় জেনারেটিভ এআই টুল ব্যবহার করেন। এই তথ্য কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।
প্রতিবেদনটি বলছে, কানাডার ৩৫ শতাংশের বেশি কর্মী তাদের দৈনন্দিন কাজে ChatGPT-এর মতো জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করছেন। এই হার আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। এটি প্রমাণ করে যে এআই টুলগুলো এখন আর শুধু প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের জন্য নয়, বরং সাধারণ কর্মীদের জন্যও একটি প্রয়োজনীয় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
এই প্রবণতা শুধু কানাডায় সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্পোরেট পর্যায়ে এআই টুলের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে লেখালেখি, কোডিং, ডেটা বিশ্লেষণ এবং গ্রাহক সেবার মতো কাজে জেনারেটিভ এআই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা খরচ কমানো এবং কাজের গতি বাড়ানোর জন্য এআই-এর দিকে ঝুঁকছেন।
কানাডার এই পরিসংখ্যানটি বিশ্বব্যাপী কর্মী পরিকল্পনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত। যেসব প্রতিষ্ঠান এখনই এআই গ্রহণ করছে, তারা আগামী দিনে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে। অন্যদিকে যারা দেরি করছে, তারা পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী 5 বছরে এআই ব্যবহারকারী কর্মীর সংখ্যা আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও এই খবরটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। দেশের ফ্রিল্যান্সার, ডেভেলপার এবং ডিজিটাল মার্কেটাররা ইতিমধ্যেই নানা ধরনের এআই টুল ব্যবহার করছেন। কানাডার এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের এআই প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ করতে পারে। যারা আগে থেকে এআই টুল ব্যবহারে দক্ষ হবেন, তারা আন্তর্জাতিক বাজারেও বেশি সুযোগ পাবেন।
তবে এআই গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। চাকরি হারানোর আশঙ্কা, ডেটা গোপনীয়তা এবং এআই-এর পক্ষপাতিত্ব নিয়ে উদ্বেগ এখনো আছে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে এআই ব্যবহার করতে হবে। কর্মীদের নতুন দক্ষতা শেখানোর পাশাপাশি নৈতিক এআই ব্যবহারের নীতিমালাও তৈরি করতে হবে।
সবমিলিয়ে কানাডার এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে জেনারেটিভ এআই এখন আর ভবিষ্যতের বিষয় নয়, এটি বর্তমানের বাস্তবতা। যেসব দেশ এবং প্রতিষ্ঠান এই বাস্তবতাকে দ্রুত মেনে নেবে, তারাই আগামী দিনের অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দেবে। বাংলাদেশের জন্যও এখনই সময় নিজেদের প্রস্তুত করার।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews AI Tools
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...