জেনসেন হুয়াং বললেন, পরবর্তী ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হবে AI চিপের
এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে আগামী বছরগুলিতে একটি নতুন AI চিপ কোম্পানি ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মূলধন ছুঁয়ে ফেলবে। এই ভবিষ্যদ্বাণী প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে আগামী বছরগুলিতে একটি নতুন AI চিপ কোম্পানি ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মূলধন ছুঁয়ে ফেলবে। এই ভবিষ্যদ্বাণী প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াং ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI চিপ শিল্পে পরবর্তী ১ ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি খুব শিগগিরই আবির্ভূত হবে। তিনি ইয়াহু ফাইন্যান্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন। হুয়াং বলেন যে AI হার্ডওয়্যারের বাজার এতটাই দ্রুত বাড়ছে যে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে অন্তত একটি নতুন চিপ কোম্পানি এনভিডিয়ার পাশে দাঁড়াবে।
এই ভবিষ্যদ্বাণী বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ বর্তমানে AI চিপ বাজারে প্রায় একক আধিপত্য বিস্তার করে আছে এনভিডিয়া। কোম্পানিটির বাজার মূলধন ইতিমধ্যে ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু হুয়াং মনে করেন যে AI-র চাহিদা এত বেশি যে একক কোম্পানি তা পূরণ করতে পারবে না। নতুন কোম্পানিগুলোর জন্য বিশাল সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি জানান।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানে AI চিপ বাজারে এনভিডিয়ার জিপিইউ বা গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিটের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু অ্যামডি, ইন্টেল এবং বেশ কিছু স্টার্টআপ কোম্পানি নিজস্ব AI চিপ তৈরি করছে। হুয়াংয়ের মতে, এই প্রতিযোগিতা পুরো শিল্পের জন্যই ভালো হবে। তিনি বিশেষ করে কাস্টম AI চিপ তৈরির ক্ষেত্রে নতুন কোম্পানিগুলোর সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, পরবর্তী ১ টিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হতে পারে এমন কয়েকটি নাম ইতিমধ্যেই আলোচনায় এসেছে। অ্যামডি তাদের MI300 সিরিজের চিপ নিয়ে বড় অগ্রগতি করছে। ব্রডকম এবং মার্ভেল টেকনোলজিও ডেটা সেন্টারের জন্য বিশেষায়িত চিপ তৈরি করছে। এছাড়া গ্রোকে নামে একটি স্টার্টআপ অত্যন্ত শক্তিশালী AI চিপ তৈরি করছে যা এনভিডিয়ার জিপিইউ-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য এই খবরের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। দেশের ফ্রিল্যান্সার ও সফটওয়্যার ডেভেলপাররা AI-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করছেন। তাদের জন্য আরও সুলভ মূল্যে AI চিপ পাওয়া গেলে ব্যবসায়িক খরচ কমবে। শিক্ষার্থীরাও আরও উন্নত AI মডেল নিয়ে গবেষণা করতে পারবে। বাংলাদেশের আইটি খাত এই পরিবর্তনের সুবিধা নিতে পারে যদি তারা সময়মতো প্রস্তুতি নেয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে AI চিপ বাজারে বড় পরিবর্তন আসবে। নতুন কোম্পানিগুলো বাজারে এলে দাম কমবে এবং প্রযুক্তির প্রসার বাড়বে। হুয়াংয়ের ভবিষ্যদ্বাণী যদি সত্য হয় তবে শুধু বিনিয়োগকারীরাই নয়, সাধারণ ব্যবহারকারীরাও উপকৃত হবে। কারণ সস্তা AI চিপ মানে আরও সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত AI সেবা পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews AI Global
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...