জেনারেটিভ AI দিয়ে অডিটে ঝুঁকি কমবে ৩ গুণ, জানুন কীভাবে
অডিট প্রক্রিয়ায় জেনারেটিভ AI ব্যবহার করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার নতুন পদ্ধতি নিয়ে এসেছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা। এই প্রযুক্তি অডিট টেস্টিং ও প্রমাণ সংগ্রহের দক্ষতা বাড়াতে পারে।
অডিট প্রক্রিয়ায় জেনারেটিভ AI ব্যবহার করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার নতুন পদ্ধতি নিয়ে এসেছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা। এই প্রযুক্তি অডিট টেস্টিং ও প্রমাণ সংগ্রহের দক্ষতা বাড়াতে পারে।
অডিট প্রক্রিয়ায় জেনারেটিভ AI (Generative AI) ব্যবহার করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। dev.to AI-তে প্রকাশিত একটি নির্দেশিকা জানিয়েছে, এই প্রযুক্তি অডিটের টেস্টিং ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করতে পারে।
এই নির্দেশিকাটি শুধু নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের কথা বলে না, বরং ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ ও ব্যবস্থাপনার পদ্ধতিকে সম্পূর্ণ বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে। জেনারেটিভ AI ব্যবহার করে অডিটররা আগের চেয়ে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ডেটা বিশ্লেষণ করতে পারবেন।
প্রথম ধাপে অডিটের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে হবে। অডিট টিমকে বুঝতে হবে কোন কোন ক্ষেত্রে জেনারেটিভ AI সবচেয়ে বেশি মূল্য যোগ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, অস্বাভাবিক লেনদেন চিহ্নিত করা বা বড় ডেটাসেটে প্যাটার্ন খোঁজার কাজে AI দারুণ কার্যকর।
দ্বিতীয় ধাপে উপযুক্ত AI মডেল নির্বাচন করতে হবে। বাজারে GPT-4, Claude-এর মতো অনেক শক্তিশালী মডেল আছে। অডিটের নির্দিষ্ট প্রয়োজনের জন্য কোন মডেল সবচেয়ে ভালো, তা যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
তৃতীয় ধাপে ডেটা প্রস্তুত করতে হবে। অডিটে ব্যবহৃত তথ্য যেমন আর্থিক বিবরণী, লেনদেনের রেকর্ড ইত্যাদি AI মডেলের জন্য উপযুক্ত ফরম্যাটে রূপান্তর করতে হবে। ডেটার গুণগত মান নিশ্চিত করা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চতুর্থ ধাপে AI মডেলকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং পরীক্ষা চালাতে হবে। ছোট ছোট ডেটাসেট দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে বড় ডেটাসেটে যাওয়া উচিত। এই ধাপে অডিট টিম AI-এর আউটপুট যাচাই করে নেবে।
পঞ্চম ধাপে AI টুলকে মূল অডিট প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করতে হবে। এখানে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। সংবেদনশীল আর্থিক তথ্য যাতে ফাঁস না হয়, সেজন্য শক্তিশালী এনক্রিপশন ও অ্যাক্সেস কন্ট্রোল প্রয়োজন।
বাংলাদেশের অডিট পেশাজীবী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এই নির্দেশিকা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। স্থানীয় অডিট ফার্মগুলো এখনও পুরনো পদ্ধতিতে কাজ করছে। জেনারেটিভ AI ব্যবহার করলে তারা আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিতে পারবে এবং সময় বাঁচাতে পারবে। আগের চেয়ে ৩ গুণ দ্রুত অডিট রিপোর্ট তৈরি করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বড় আকারের ডেটা বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয়। জেনারেটিভ AI সেখানে জালিয়াতি চিহ্নিতকরণ ও নিয়ন্ত্রক সম্মতি নিশ্চিত করতে সাহায্য করতে পারে। স্থানীয় ডেভেলপাররা এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে নতুন স্টার্টআপ গড়তে পারেন।
ভবিষ্যতে অডিট পেশায় AI-এর ব্যবহার আরও বাড়বে। এই নির্দেশিকা সেই পথে প্রথম পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে। অডিটরদের এখন থেকেই জেনারেটিভ AI সম্পর্কে শেখা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করা উচিত।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...