জাপানের ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন প্রকল্পে ২০৪০ সালে ১০ মিলিয়ন রোবট আসছে, বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নতুন সুযোগ
জাপান ঘোষণা করেছে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েনের জাতীয় ফিজিক্যাল AI কৌশল। পাঁচ বছরের গবেষণা তহবিলের মাধ্যমে দেশীয় AI মডেল তৈরি করে ২০৪০ সালের মধ্যে ১০ মিলিয়ন রোবট মোতায়েন করা হবে। সফটব্যাংক ও সনি সমর্থিত জোট নোয়েট্রা এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
জাপান ঘোষণা করেছে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েনের জাতীয় ফিজিক্যাল AI কৌশল। পাঁচ বছরের গবেষণা তহবিলের মাধ্যমে দেশীয় AI মডেল তৈরি করে ২০৪০ সালের মধ্যে ১০ মিলিয়ন রোবট মোতায়েন করা হবে। সফটব্যাংক ও সনি সমর্থিত জোট নোয়েট্রা এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
জাপান সরকার একটি উচ্চাভিলাষী জাতীয় কৌশল ঘোষণা করেছে। ফিজিক্যাল AI বা ভৌত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে তারা ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ করবে। এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। পাঁচ বছর ধরে এই তহবিল গবেষণা ও উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।
এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় একটি ফিজিক্যাল AI ফাউন্ডেশন মডেল তৈরি করা। এই মডেল ব্যবহার করে ২০৪০ সালের মধ্যে ১৮টি শিল্পখাতে ১০ মিলিয়ন রোবট মোতায়েন করা হবে। খাদ্য পরিষেবা ও স্বাস্থ্যসেবা এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে। জাপানের বার্ধক্যজনিত জনসংখ্যার চাপ মোকাবিলায় এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই বিশাল প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছে নোয়েট্রা নামের একটি জোট। সফটব্যাংক ও সনি এই জোটের মূল পৃষ্ঠপোষক। নোয়েট্রার কাজ হবে দেশীয় AI প্রযুক্তি উন্নত করা এবং বিভিন্ন শিল্পে রোবটিকস সমাধান বাস্তবায়ন করা। জাপান চায় প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে বিশ্ববাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে।
বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ফিজিক্যাল AI নিয়ে কাজ করছে। চীনের জাতীয় কর প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দেহধারী বুদ্ধিমত্তা বা এমবোডিড ইন্টেলিজেন্স কোম্পানিগুলোর বিক্রয় রাজস্ব বৃদ্ধির হার প্রথম প্রান্তিকে ২২.৪ শতাংশে পৌঁছেছে। জাপানের এই উদ্যোগ সেই প্রতিযোগিতায় একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশের জন্য এই খবর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের সফটওয়্যার ডেভেলপার ও ইঞ্জিনিয়াররা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে AI ও রোবটিকস প্রকল্পে কাজ করছেন। জাপানের এই বড় বিনিয়োগ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। ফ্রিল্যান্সার ও শিক্ষার্থীরা ফিজিক্যাল AI নিয়ে গবেষণা ও কাজের জন্য জাপানি কোম্পানি বা জোট নোয়েট্রার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারেন।
জাপানের এই কৌশল বিশ্ব প্রযুক্তি খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আগামী পাঁচ বছরে এই তহবিল কীভাবে ফিজিক্যাল AI-এর অগ্রগতি ত্বরান্বিত করে তা দেখার বিষয়। বাংলাদেশের প্রযুক্তি সম্প্রদায়ের উচিত এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের দক্ষতা উন্নত করা।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...