ইইউর নির্দেশে অ্যান্ড্রয়েডে ChatGPT খোলা, বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা পাবেন নতুন সুবিধা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন গুগলকে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চ্যাটজিপিটি-সহ প্রতিদ্বন্দ্বী এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট খোলার নির্দেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত মোবাইল এআই ইকোসিস্টেমে বড় পরিবর্তন আনতে পারে এবং ব্যবহারকারীদের আরও পছন্দ দিতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন গুগলকে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চ্যাটজিপিটি-সহ প্রতিদ্বন্দ্বী এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট খোলার নির্দেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত মোবাইল এআই ইকোসিস্টেমে বড় পরিবর্তন আনতে পারে এবং ব্যবহারকারীদের আরও পছন্দ দিতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গুগলকে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চ্যাটজিপিটি এবং অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী এআই অ্যাসিস্ট্যান্টের জন্য দরজা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ মোবাইল এআই বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। HotHardware এই খবর প্রথম প্রকাশ করেছে।
এই নির্দেশের ফলে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা তাদের ফোনে ডিফল্ট এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের পরিবর্তে চ্যাটজিপিটি বা অন্য কোনো এআই সেবা বেছে নিতে পারবেন। এটি মোবাইল ইকোসিস্টেমে এআই প্রযুক্তির ব্যবহারে একটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে। ইইউ মনে করে, এই পদক্ষেপ উদ্ভাবন বাড়াবে এবং ব্যবহারকারীদের আরও ভালো সেবা দেবে।
ইইউ-এর এই সিদ্ধান্ত ডিজিটাল মার্কেটস অ্যাক্ট (DMA)-এর অংশ। DMA বড় টেক কোম্পানিগুলোর বাজার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করে। আগে ইইউ অ্যাপলকে আইফোনে থার্ড-পার্টি অ্যাপ স্টোর অনুমতি দিতে বাধ্য করেছিল। এখন গুগলের পালা।
গুগলের জন্য এই নির্দেশ মানা বাধ্যতামূলক। যদি গুগল তা না করে, তাহলে কোম্পানিকে তার বিশ্বব্যাপী বার্ষিক আয়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে। গুগল এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুগল সম্ভবত এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ করবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যবহার অনেক বেশি। স্থানীয় ডেভেলপার এবং ফ্রিল্যান্সাররা এই পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন এআই-ভিত্তিক অ্যাপ ও সার্ভিস তৈরি করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, বাংলা ভাষায় চ্যাটবট বা ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরি করা সহজ হবে। সাধারণ ব্যবহারকারীরাও তাদের পছন্দের এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করতে পারবেন।
ভবিষ্যতে এই সিদ্ধান্ত এআই প্রযুক্তির বিস্তারকে আরও ত্বরান্বিত করবে। প্রতিযোগিতা বাড়লে সেবার মান উন্নত হবে এবং দাম কমবে। তবে এই পরিবর্তন কার্যকর হতে আরও কিছু সময় লাগবে। ইইউ এবং গুগলের মধ্যে আইনি লড়াই শুরু হতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews LLM Models
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...