হোয়াটসঅ্যাপের নম্বর গোপন ফিচারে জালিয়াতির ঝুঁকি, বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা সতর্ক
হোয়াটসঅ্যাপ ফোন নম্বর গোপন রেখে চ্যাটের নতুন ফিচার চালু করছে। কিন্তু এই ফিচার সাইবার জালিয়াতি বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্র। মেটার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।
হোয়াটসঅ্যাপ ফোন নম্বর গোপন রেখে চ্যাটের নতুন ফিচার চালু করছে। কিন্তু এই ফিচার সাইবার জালিয়াতি বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্র। মেটার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।
হোয়াটসঅ্যাপে এবার ফোন নম্বর গোপন করেই চ্যাট করা যাবে। মেটা মালিকান这家 মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটি এই নতুন ফিচার চালু করতে চলেছে। কিন্তু এই ফিচারটি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
Sangbad Pratidin সূত্রে জানা গেছে, এই নতুন ফিচারটি সাইবার জালিয়াতির ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। ফোন নম্বর গোপন থাকায় অপরাধীদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে। কেন্দ্র মনে করছে, এর ফলে জালিয়াতি ও প্রতারণার ঘটনা বেড়ে যেতে পারে।
বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা তাদের ফোন নম্বর দিয়ে চিহ্নিত হন। নতুন ফিচার চালু হলে ব্যবহারকারীরা একটি ইউজারনেম বা অন্য কোনো আইডি ব্যবহার করে চ্যাট করতে পারবেন। এই সুবিধা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ভালো হলেও এটি অপরাধীদের জন্য স্বর্গ তৈরি করবে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।
কেন্দ্র এই বিষয়ে ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে। মেটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মেটাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হতে পারে। সরকার চায়, কোনো ফিচার চালু করার আগে নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হোক।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও এই খবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটিরও বেশি। ফ্রিল্যান্সার, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ সবাই এই প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরশীল। ফোন নম্বর গোপন করার ফিচার চালু হলে বাংলাদেশেও সাইবার জালিয়াতির ঘটনা বেড়ে যেতে পারে। স্থানীয় সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যে এই বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফোন নম্বর গোপন রাখার ফিচারটি চালু হলে ব্যবহারকারীদের আরও সতর্ক হতে হবে। অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপের নিরাপত্তা সেটিংস আপডেট রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এই ফিচারটি চালু হলে সাইবার অপরাধীরা সহজেই ভুয়া পরিচয় তৈরি করতে পারবে। তারা ব্যাংকিং জালিয়াতি, ফিশিং আক্রমণ ও অন্যান্য প্রতারণার জন্য এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারে। কেন্দ্র এই বিষয়ে মেটার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
ভবিষ্যতে এই ফিচারটি চালু হলে ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি হবে। তবে সরকার ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক থাকায় সাধারণ মানুষ কিছুটা নিরাপদ থাকবেন। হোয়াটসঅ্যাপের এই ফিচার নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য আসতে পারে আগামী সপ্তাহে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Sangbad Pratidin
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...