গুগল আপনার ছবি ও ভয়েস দিয়ে AI শেখায়, বন্ধ করার উপায় জেনে নিন
গুগল আপনার ব্যক্তিগত ডেটা যেমন ছবি, ভিডিও এবং ভয়েস সার্চ ব্যবহার করে তার বড় ভাষার মডেল (LLM) প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আপনি চাইলে এই সুবিধা বন্ধ করে নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেন। জেনে নিন সহজ উপায়।
গুগল আপনার ব্যক্তিগত ডেটা যেমন ছবি, ভিডিও এবং ভয়েস সার্চ ব্যবহার করে তার বড় ভাষার মডেল (LLM) প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আপনি চাইলে এই সুবিধা বন্ধ করে নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেন। জেনে নিন সহজ উপায়।
গুগল এখন আপনার ছবি, ভিডিও এবং ভয়েস সার্চ ব্যবহার করে তার বড় ভাষার মডেল বা LLM প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ZDNet-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, আপনি যখন গুগলে ছবি আপলোড করেন বা ভয়েস সার্চ ব্যবহার করেন, তখন সেই ডেটা গুগলের AI মডেলকে আরও স্মার্ট করতে ব্যবহৃত হতে পারে।
এই পরিবর্তনটি আগের চেয়ে অনেক বেশি ডেটা সংগ্রহ করছে। গুগল আগে শুধুমাত্র টেক্সট ডেটা ব্যবহার করলেও এখন মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্টকেও প্রশিক্ষণে যুক্ত করেছে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ডেটা ব্যবহার করে গুগল তার AI সেবা যেমন Google Assistant এবং সার্চ রেজাল্ট আরও উন্নত করতে চায়।
তবে আপনি চাইলে এই ডেটা ব্যবহার বন্ধ করতে পারেন। গুগল একটি অপ্ট-আউট সুবিধা দিয়েছে। এটি বন্ধ করার জন্য প্রথমে আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। তারপর 'ডেটা অ্যান্ড প্রাইভেসি' সেটিংসে যান। সেখানে 'ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি' অপশনটি খুঁজুন। এই অপশনের ভেতরে 'ভয়েস অ্যান্ড অডিও অ্যাক্টিভিটি' এবং 'ইমেজ অ্যান্ড ভিডিও অ্যাক্টিভিটি' নামে দুটি টগল আছে। এই টগল দুটি বন্ধ করে দিন। এরপর আপনার ডেটা আর AI প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার হবে না।
বাংলাদেশের প্রসঙ্গে বললে, এই খবরটি স্থানীয় ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে গুগলের ব্যবহার ব্যাপক। অনেক ফ্রিল্যান্সার এবং ছোট ব্যবসা গুগলের বিভিন্ন সেবার ওপর নির্ভর করে। এই নতুন নিয়মের কারণে তাদের ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক ডেটা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে ভয়েস সার্চ এবং ছবি আপলোড করা ব্যবহারকারীদের জন্য এটি বড় একটি বিষয়। তারা যদি অপ্ট-আউট না করে, তাহলে তাদের ডেটা গুগলের AI মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহার হতে থাকবে।
সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য পরামর্শ হলো, এখনই আপনার গোপনীয়তা সেটিংস চেক করুন। উপরে বর্ণিত ধাপগুলো অনুসরণ করে ডেটা শেয়ারিং বন্ধ করুন। মনে রাখবেন, এই সুবিধা বন্ধ করলে গুগলের কিছু সেবা যেমন স্মার্ট রিপ্লাই বা ভয়েস সার্চের মান কিছুটা কমতে পারে। কিন্তু আপনার গোপনীয়তা রক্ষা করা বেশি জরুরি।
ভবিষ্যতে গুগল আরও বেশি ডেটা সংগ্রহের দিকে যেতে পারে। তাই ব্যবহারকারীদের সচেতন থাকা এবং নিয়মিত তাদের প্রাইভেসি সেটিংস পর্যালোচনা করা উচিত। প্রযুক্তি যত উন্নত হবে, ডেটা সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা তত বাড়বে। এই খবরটি তারই একটি উদাহরণ।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: ZDNet AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...