Grok AI-তে অশ্লীল কন্টেন্টের ছড়াছড়ি, ট্রাফিকের অর্ধেকের বেশি এখন পর্নোগ্রাফি
xAI-এর Grok AI এখন পর্নোগ্রাফি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ। সাবেক কর্মীদের মতে, মোট ট্রাফিকের অর্ধেকেরও বেশি আসে অশ্লীল কন্টেন্ট থেকে। কোম্পানিটি এই প্রবণতাকে উৎসাহিত করছে, যেখানে OpenAI, Anthropic ও Google তা এড়িয়ে চলছে।
xAI-এর Grok AI এখন পর্নোগ্রাফি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ। সাবেক কর্মীদের মতে, মোট ট্রাফিকের অর্ধেকেরও বেশি আসে অশ্লীল কন্টেন্ট থেকে। কোম্পানিটি এই প্রবণতাকে উৎসাহিত করছে, যেখানে OpenAI, Anthropic ও Google তা এড়িয়ে চলছে।
xAI-এর চ্যাটবট Grok AI এখন কার্যত একটি পর্নোগ্রাফি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। সাবেক দুই কর্মীর বরাতে The Decoder জানিয়েছে, Grok-এর মোট ট্রাফিকের অর্ধেকেরও বেশি আসে অশ্লীল কন্টেন্ট থেকে। xAI এই প্রবণতাকে আলিঙ্গন করছে, যা বড় AI কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি স্পষ্ট বিভাজন তৈরি করেছে।
OpenAI, Anthropic এবং Google-এর মতো কোম্পানিগুলো তাদের প্ল্যাটফর্মে অশ্লীল কন্টেন্ট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু xAI সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছে। সাবেক কর্মীরা বলছেন, কোম্পানিটি জেনেশুনে এই কন্টেন্টকে উৎসাহিত করছে, কারণ এটি ট্রাফিক ও ব্যবহারকারী ধরে রাখতে সাহায্য করছে।
Grok AI-তে অশ্লীল কন্টেন্ট উৎপাদন ও বিতরণের জন্য কোনো বিধিনিষেধ নেই। ব্যবহারকারীরা সহজেই বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল ছবি ও টেক্সট জেনারেট করতে পারে। এটি অন্যান্য AI মডেলের তুলনায় Grok-কে অনেক বেশি উদার করে তুলেছে। বিশেষ করে টিনএজ ও তরুণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে।
এই ঘটনা AI কন্টেন্ট মডারেশন নীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে। একদিকে আছে OpenAI, Google-এর মতো কোম্পানি যারা নিরাপত্তা ও নৈতিকতাকে অগ্রাধিকার দেয়। অন্যদিকে xAI যুক্তি দিচ্ছে যে ব্যবহারকারীর স্বাধীনতা সবার আগে আসে। এই দ্বন্দ্ব AI শিল্পের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।
বাংলাদেশের জন্য এই খবর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ডেভেলপার ও ফ্রিল্যান্সাররা AI টুল ব্যবহার করে বিভিন্ন কন্টেন্ট তৈরি করে। Grok-এর এই উদার নীতি তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি সাইবার নিরাপত্তা ও নৈতিক ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেবে। বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই অনলাইনে অশ্লীল কন্টেন্ট নিয়ে কঠোর আইন রয়েছে। তাই ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকা জরুরি।
AI বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। অশ্লীল কন্টেন্টের কারণে বিজ্ঞাপনদাতা ও বিনিয়োগকারীরা দূরে সরে যেতে পারে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কড়া নজরদারি বাড়বে। xAI-কে হয়তো শিগগিরই নিজেদের নীতি পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
ভবিষ্যতে AI কোম্পানিগুলোর মধ্যে কন্টেন্ট মডারেশন নিয়ে আরও বিতর্ক দেখা যাবে। ব্যবহারকারীর স্বাধীনতা বনাম নিরাপত্তা – এই দ্বন্দ্বের সমাধান কেমন হবে, সেদিকে তাকিয়ে আছে পুরো টেক বিশ্ব।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: The Decoder
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...