গ্রামীণফোনের নতুন উদ্যোগে ৪০ লক্ষ প্রান্তিক মানুষ পাবে ডিজিটাল সেবা
গ্রামীণফোন তাদের ডিজিটাল ইনক্লুশন কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ চালু করেছে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও টেলিনরের সঙ্গে অংশীদারত্বে ২০২৮ সালের মধ্যে ৪০ লক্ষ প্রান্তিক মানুষকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ্রামীণফোন তাদের ডিজিটাল ইনক্লুশন কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ চালু করেছে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও টেলিনরের সঙ্গে অংশীদারত্বে ২০২৮ সালের মধ্যে ৪০ লক্ষ প্রান্তিক মানুষকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ্রামীণফোন (GP) বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য তাদের ডিজিটাল ইনক্লুশন কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ চালু করেছে। ঢাকায় ৩০ জুলাই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং টেলিনরের সঙ্গে অংশীদারত্বে এই কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে ৪০ লক্ষ মানুষকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনা হবে।
এই কর্মসূচির প্রথম ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ডিজিটাল শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মতো খাতে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে সহজে মোবাইল ইন্টারনেট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারে, সেটিই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক মানুষ এবং দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। গ্রামীণফোনের সাথে টেলিনর তাদের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন ও মনিটরিংয়ের কাজ করবে।
ডিজিটাল ইনক্লুশন মানে শুধু ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া নয়, বরং ডিজিটাল দক্ষতা তৈরি করাও। এই কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে মানুষকে মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন সেবা এবং ই-গভর্নমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর ফলে তারা নিজেরাই ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
বাংলাদেশে ডিজিটাল বিভাজন এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। শহরের তুলনায় গ্রামীণ অঞ্চলে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার অনেক কম। এই কর্মসূচি সেই ব্যবধান কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে নারীদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করলে তাদের আয়ের সুযোগ বাড়বে এবং সামাজিক ক্ষমতায়নও ঘটবে।
গ্রামীণফোনের এই উদ্যোগটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) সাথেও সঙ্গতিপূর্ণ। ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা গেলে দারিদ্র্য হ্রাস, মানসম্মত শিক্ষা এবং লিঙ্গসমতা অর্জন সহজ হবে। প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের অন্যান্য মোবাইল অপারেটররাও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হবে।
ভবিষ্যতে গ্রামীণফোন এই কর্মসূচির আওতা আরও বাড়াতে চায়। কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তারা নিয়মিতভাবে এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে আসছে। পাঠকদের জন্য এটিই একটি সুযোগ, যারা নিজের এলাকায় এই কর্মসূচির সুবিধা নিতে চান, তারা গ্রামীণফোনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নিকটস্থ গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Daily Star Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...