Google ছাড়লেন Transformer-এর সব ৮ জন আবিষ্কারক, AI দৌড়ে বড় পরিবর্তন আসছে
একসময় Google-এর জেমিনি 2.5 Pro চ্যাটবট অ্যারেনায় শীর্ষস্থানে ছিল। এখন সেই মডেল ৭ম স্থানে নেমে গেছে। আর সবচেয়ে বড় খবর হলো, ‘Attention Is All You Need’ পেপারের সব ৮ লেখকই Google ছেড়েছেন। শেষজন চলে গেছেন ১৮ জুন।
একসময় Google-এর জেমিনি 2.5 Pro চ্যাটবট অ্যারেনায় শীর্ষস্থানে ছিল। এখন সেই মডেল ৭ম স্থানে নেমে গেছে। আর সবচেয়ে বড় খবর হলো, ‘Attention Is All You Need’ পেপারের সব ৮ লেখকই Google ছেড়েছেন। শেষজন চলে গেছেন ১৮ জুন।
গুগলের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক এবং কিছুটা দুঃখজনক মুহূর্ত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগতে বিপ্লব ঘটানো সেই বিখ্যাত পেপার ‘Attention Is All You Need’-এর সব ৮ জন লেখকই এখন কোম্পানি ছেড়ে দিয়েছেন। সর্বশেষ লেখকটি ১৮ জুন গুগল ত্যাগ করেছেন।
এই পেপারটি ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ট্রান্সফরমার আর্কিটেকচারের ভিত্তি স্থাপন করে। ট্রান্সফরমার ছাড়া আজকের ChatGPT, জেমিনি বা ক্লডের মতো শক্তিশালী AI মডেলগুলো কল্পনাও করা যেত না।
গুগলের জন্য ট্যালেন্ট রিটেনশন বা প্রতিভা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ দিন দিন বাড়ছে। এই ৮ গবেষকের মধ্যে কেউ কেউ এখন নিজেদের স্টার্টআপ তৈরি করেছেন। কেউ কেউ অন্য বড় টেক কোম্পানিতে যোগ দিয়েছেন। তাদের চলে যাওয়া গুগলের অভ্যন্তরীণ উদ্ভাবনী সংস্কৃতির ওপর প্রশ্ন তুলেছে।
গুগলের AI মডেল জেমিনি 2.5 Pro ২০২৫ সালের মার্চ মাসে চ্যাটবট অ্যারেনায় শীর্ষস্থান দখল করেছিল। এটি ছিল একটি ট্রিপল ক্রাউন। টেক্সট, ভিশন এবং কোডিং এই তিন ক্যাটাগরিতেই প্রথম স্থান অধিকার করেছিল মডেলটি। ওই সময় গুগলকে বিশ্বের সেরা AI ল্যাব বলা হচ্ছিল।
কিন্তু মাত্র ১৬ মাসের ব্যবধানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এখন জেমিনি 2.5 Pro একই লিডারবোর্ডে ৭ম স্থানে রয়েছে। এর উপরে রয়েছে অ্যানথ্রপিকের ৫টি মডেল এবং মেটার ১টি মডেল। প্রতিযোগীরা গুগলের চেয়ে অনেক বেশি গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি অঙ্গনের জন্য এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার এবং শিক্ষার্থীরা বর্তমানে বিভিন্ন AI টুল ব্যবহার করছেন। গুগলের এই অবস্থান পরিবর্তনের ফলে ভবিষ্যতে জেমিনির সেবার মান এবং অ্যাক্সেসিবিলিটি প্রভাবিত হতে পারে। যারা জেমিনি API ব্যবহার করে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করছেন, তাদের বিকল্প ভাবতে হতে পারে।
অন্যদিকে, প্রতিযোগী কোম্পানিগুলোর মডেল যেমন ক্লড এবং লামা আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বাংলাদেশের স্টার্টআপ এবং টেক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি একটি সুযোগ। তারা এখন বিভিন্ন AI প্ল্যাটফর্ম পরীক্ষা করে দেখতে পারে এবং তাদের প্রোজেক্টের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী সমাধান বেছে নিতে পারে।
গুগলের জন্য সামনের পথ সহজ নয়। তাদের নতুন গবেষক নিয়োগ এবং পুরনো প্রতিভা ধরে রাখার জন্য কৌশল পরিবর্তন করতে হবে। নইলে AI দৌড়ে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিযোগীরা ইতিমধ্যে অনেক এগিয়ে গেছে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...