এআই ডেটা সেন্টার ঠান্ডা করেই কোটি ডলার আয় করছে বাংলাদেশি কোম্পানি
এআই ডেটা সেন্টারের শীতলীকরণ প্রযুক্তি থেকে কোম্পানিগুলো বিপুল মুনাফা করছে। এয়ার কন্ডিশনিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিকাঠামোর মধ্যে সংযোগ দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে।
এআই ডেটা সেন্টারের শীতলীকরণ প্রযুক্তি থেকে কোম্পানিগুলো বিপুল মুনাফা করছে। এয়ার কন্ডিশনিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিকাঠামোর মধ্যে সংযোগ দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে।
এয়ার কন্ডিশনার থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যন্ত, শীতলীকরণ প্রযুক্তি এখন বিশ্বব্যাপী বড় একটি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। এল পাইস ইংলিশের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এআই ডেটা সেন্টারের ক্রমবর্ধমান শক্তি ও তাপ ব্যবস্থাপনার চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন কোম্পানি বিপুল মুনাফা করছে।
এআই মডেল চালানোর জন্য যে শক্তিশালী GPU ও সার্ভার প্রয়োজন, সেগুলো প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে। এই তাপ নিয়ন্ত্রণ না করলে হার্ডওয়্যার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সিস্টেমের কার্যকারিতা কমে যায়। তাই ডেটা সেন্টারগুলোর জন্য কার্যকর শীতলীকরণ ব্যবস্থা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
প্রযুক্তি জায়ান্টরা যেমন মাইক্রোসফট, গুগল এবং অ্যামাজন তাদের ডেটা সেন্টারের জন্য লিকুইড কুলিং ও উন্নত এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেমে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। এই সেক্টরে কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে লিকুইড কুলিং প্রযুক্তি, যা সরাসরি চিপের ওপর তরল ঠান্ডা করে, এটি আগের চেয়ে ৩ গুণ বেশি কার্যকর বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে এই প্রযুক্তির দামও অনেক বেশি। একটি বড় ডেটা সেন্টারের জন্য শীতলীকরণ ব্যবস্থা স্থাপনে কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে। কিন্তু এআই চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে এই বিনিয়োগ লাভজনক হয়ে উঠছে। এল পাইস জানিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে গ্লোবাল ডেটা সেন্টার কুলিং মার্কেট ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবরটি গুরুত্বপূর্ণ। দেশে এআই ও ডেটা সেন্টার অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নতুন ডেটা সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। এই সেক্টরে কাজ করতে আগ্রহী ডেভেলপার ও প্রকৌশলীদের জন্য শীতলীকরণ প্রযুক্তি একটি নতুন দক্ষতার ক্ষেত্র খুলে দিচ্ছে। যারা এআই মডেল প্রশিক্ষণ বা হোস্টিং নিয়ে কাজ করেন, তাদের জন্য শক্তি ও কুলিং ব্যবস্থাপনা বোঝা জরুরি হয়ে পড়ছে।
ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী এআই চিপ বাজারে আসবে। এদের তাপ উৎপাদনের মাত্রাও বাড়বে। তাই ডেটা সেন্টার অপারেটরদের জন্য দক্ষ ও পরিবেশবান্ধব কুলিং সমাধান খোঁজা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারলেই কোম্পানিগুলো এআই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় সুবিধা নিতে পারবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews AI Global
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...