ড্যারাজে আরও ১০০ ছাঁটাই, চাকরি হারালেন বাংলাদেশি কর্মীরা
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ড্যারাজ বাংলাদেশ তাদের আরও প্রায় ১০০ কর্মী ছাঁটাই করেছে। গত ৬ ও ৭ মে এই ছাঁটাই করা হয় বলে একাধিক সাবেক কর্মী নিশ্চিত করেছেন। এটি চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় দফার ছাঁটাই।
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ড্যারাজ বাংলাদেশ তাদের আরও প্রায় ১০০ কর্মী ছাঁটাই করেছে। গত ৬ ও ৭ মে এই ছাঁটাই করা হয় বলে একাধিক সাবেক কর্মী নিশ্চিত করেছেন। এটি চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় দফার ছাঁটাই।
ড্যারাজ বাংলাদেশ তাদের কর্মী সংখ্যা আরও কমিয়ে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি গত ৬ ও ৭ মে প্রায় ১০০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে বলে একাধিক সাবেক কর্মী নিশ্চিত করেছেন। এই ছাঁটাইয়ের শিকার হওয়া কর্মীরা নিজেরাই এই তথ্য দিয়েছেন।
এই ছাঁটাই ড্যারাজের জন্য নতুন নয়। গত কয়েক বছরে প্রতিষ্ঠানটি একাধিকবার কর্মী ছাঁটাই করেছে। করোনা পরবর্তী বাজারে মন্দা এবং প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় ই-কমার্স কোম্পানিগুলো খরচ কমাতে বাধ্য হচ্ছে। ড্যারাজও তার ব্যতিক্রম নয়।
ডেইলি স্টার টেকের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছাঁটাই করা কর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের লোকজন রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি।
বাংলাদেশের ই-কমার্স বাজারে ড্যারাজ একটি বড় নাম। আলিবাবা গ্রুপের মালিকানাধীন এই প্ল্যাটফর্মটি দেশের লাখ লাখ গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে। কিন্তু বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ায় এবং অর্থনৈতিক চাপের কারণে ড্যারাজকে বারবার খরচ কমাতে হচ্ছে।
এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব সরাসরি পড়বে কর্মীদের ওপর। যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের অনেকেই নতুন চাকরি খুঁজতে বাধ্য হবেন। অন্যদিকে, ড্যারাজের গ্রাহকদের জন্য তেমন কোনো পরিবর্তন আসবে না। প্রতিষ্ঠানটি আগের মতোই সেবা দিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের ই-কমার্স খাত বর্তমানে একটি কঠিন সময় পার করছে। একদিকে যেমন বাজার বাড়ছে, অন্যদিকে প্রতিযোগিতাও বাড়ছে। ছোট ও মাঝারি ই-কমার্স কোম্পানিগুলো টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে। ড্যারাজের মতো বড় কোম্পানিও খরচ কমাতে বাধ্য হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের জন্য চাকরির বাজার আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে যারা ই-কমার্স খাতে কাজ করেন, তাদের জন্য বিকল্প সুযোগ কম। তবে আইটি ও প্রযুক্তি খাতে দক্ষতা থাকলে বিকল্প সুযোগ তৈরি হতে পারে।
ড্যারাজের এই ছাঁটাই বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতের জন্য একটি উদ্বেগজনক সংকেত। খরচ কমানোর এই ধারা অব্যাহত থাকলে আরও ছাঁটাই হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে নতুন করে কর্মী নিয়োগ দেবে কিনা, তা সময়ই বলবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Daily Star Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...