ডিপমাইন্ডের সাবেক গবেষকের AI স্টার্টআপে ৩০০ মিলিয়ন ডলার, প্রোডাক্ট ছাড়াই
প্রোডাক্ট লঞ্চের আগেই 300 মিলিয়ন ডলার প্রি-সিড ফান্ডিং সংগ্রহ করেছেন DeepMind-এর সাবেক গবেষক অ্যান্ড্রু ডাই। তার কাজ ChatGPT-এর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং তিনি ভিজুয়াল AI কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরবর্তী বড় সীমান্ত বলে মনে করেন।
প্রোডাক্ট লঞ্চের আগেই 300 মিলিয়ন ডলার প্রি-সিড ফান্ডিং সংগ্রহ করেছেন DeepMind-এর সাবেক গবেষক অ্যান্ড্রু ডাই। তার কাজ ChatGPT-এর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং তিনি ভিজুয়াল AI কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরবর্তী বড় সীমান্ত বলে মনে করেন।
প্রোডাক্ট লঞ্চের আগেই 300 মিলিয়ন ডলার প্রি-সিড ফান্ডিং সংগ্রহের মধ্য দিয়ে প্রযুক্তি দুনিয়ায় নজির গড়েছেন গুগল DeepMind-এর সাবেক গবেষক অ্যান্ড্রু ডাই। TechCrunch-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ফান্ডিং রাউন্ডটি এখন পর্যন্ত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রি-সিড রাউন্ডগুলোর একটি।
ডাই তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী কিছু AI সিস্টেম তৈরিতে কাজ করেছেন। তার গবেষণাই পরবর্তীতে ChatGPT-এর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখন তিনি নিজের স্টার্টআপ নিয়ে হাজির হয়েছেন যেখানে ফোকাস ভিজুয়াল AI-তে।
ভিজুয়াল AI বলতে বোঝায় এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা ছবি ও ভিডিও বুঝতে এবং তৈরি করতে পারে। ডাই মনে করেন এটি AI-র পরবর্তী বড় সীমান্ত। তার মতে, বর্তমান ভাষাভিত্তিক AI মডেল যেমন GPT-4 টেক্সট নিয়ে কাজ করে তেমনি ভিজুয়াল AI ভিজুয়াল তথ্য নিয়ে কাজ করবে এবং বাস্তব জগতের সমস্যা সমাধানে আরও কার্যকর হবে।
এই স্টার্টআপ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি ডাই। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তাদের প্রোডাক্ট এমন এক প্ল্যাটফর্ম হবে যা ছবি ও ভিডিও থেকে জটিল তথ্য বের করে নিতে পারবে। এটি স্বাস্থ্যসেবা, রোবোটিক্স এবং স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং-এর মতো ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য এই খবর বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। দেশের উদীয়মান AI স্টার্টআপ ও গবেষকদের জন্য এটি একটি বড় প্রেরণা। প্রি-সিড পর্যায়ে এত বড় ফান্ডিং দেখায় যে বিশ্বের বিনিয়োগকারীরা ভিজুয়াল AI-র সম্ভাবনায় কতটা আস্থাশীল। বাংলাদেশি ডেভেলপার ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও এটি একটি সংকেত যে ভিজুয়াল AI-তে দক্ষতা অর্জন ভবিষ্যতে বড় সুযোগ এনে দিতে পারে।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের জন্যও এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে AI ও মেশিন লার্নিং কোর্সে ভিজুয়াল AI-র ওপর জোর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ছে। দেশের ICT বিভাগও এই খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য উদ্যোগ নিতে পারে।
ভিজুয়াল AI-র বাজার আগামী ৫ বছরে ১০ গুণ বাড়বে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। ডাইয়ের স্টার্টআপ সেই বাজারে নেতৃত্ব দিতে চায়। তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বিশাল ফান্ডিং তাকে এই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখবে।
অ্যান্ড্রু ডাইয়ের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে AI-র ভবিষ্যৎ এখন টেক্সট থেকে ভিজুয়াল জগতে স্থানান্তরিত হচ্ছে। বাংলাদেশের তরুণ প্রযুক্তিবিদদের এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সময় এখনই।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: TechCrunch AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...