ডিজিটাল সামিটে উঠে এলো নতুন কৌশল, বদলে যাবে ব্যবসার চেহারা
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ১২তম ডিজিটাল সামিট। সেখানে ডিজিটাল রূপান্তরের পরিবর্তিত বাস্তবতা, কৌশল ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করেন দেশের শীর্ষ বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ১২তম ডিজিটাল সামিট। সেখানে ডিজিটাল রূপান্তরের পরিবর্তিত বাস্তবতা, কৌশল ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করেন দেশের শীর্ষ বিশেষজ্ঞরা।
ডিজিটাল রূপান্তরের পরিবর্তিত বাস্তবতা, কৌশল, গল্প বলা ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার নতুন দিক নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ১২তম ডিজিটাল সামিট। শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকায় এই সম্মেলন আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)-এর পরিবেশনায় এবং ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের সঞ্চালনায় এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।
এই সামিটে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞাপন, প্রযুক্তি ও ব্যবসা খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ডিজিটাল রূপান্তরের বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল কীভাবে কোম্পানিগুলো ডিজিটাল টুলস ব্যবহার করে তাদের ব্যবসায়িক কৌশল পরিবর্তন করতে পারে। তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কার্যকর গল্প বলার মাধ্যমে গ্রাহকের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ওপর জোর দেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডিজিটাল রূপান্তর এখন আর শুধু একটি বিকল্প নয় বরং বেঁচে থাকার শর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। বক্তারা বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান দ্রুত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছে তারাই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে। তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), বিগ ডেটা এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রাহকের আচরণ বিশ্লেষণের ওপর জোর দেন। এই বিশ্লেষণের মাধ্যমেই ব্যবসাগুলো আরও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই সামিটের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী এবং ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ডিজিটাল টুলস ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করছে। এই সামিট তাদের জন্য নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে মেঘনা গ্রুপ ও ওয়ালটনের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা প্রমাণ করে যে দেশীয় শিল্পখাত ডিজিটাল রূপান্তরে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।
সামিটের শেষে বিশেষজ্ঞরা মত দেন যে ডিজিটাল রূপান্তরের সফলতার জন্য শুধু প্রযুক্তি নয়, প্রয়োজন সঠিক কৌশল ও মানসিকতার পরিবর্তন। ভবিষ্যতে এই ধরনের আয়োজন আরও বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে সাহায্য করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। Sarabangla Tech এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Sarabangla Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...