দেশব্যাপী AI প্রশিক্ষণ শুরু, চাকরির বাজারে এগিয়ে যাবে তরুণরা!
তরুণ প্রজন্মকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ করে তুলতে দেশব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনের চাকরির বাজারে তরুণরা এগিয়ে থাকবে।
তরুণ প্রজন্মকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ করে তুলতে দেশব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনের চাকরির বাজারে তরুণরা এগিয়ে থাকবে।
দেশের তরুণদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ করে তুলতে শুরু হয়েছে দেশব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম AI প্রযুক্তির মৌলিক ও উন্নত দিকগুলো শিখতে পারবে। প্রথম ধাপে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীসহ প্রধান শহরগুলোতে এই প্রশিক্ষণ চলবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এই কর্মসূচি শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তরুণরা বৈশ্বিক AI প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, AI দক্ষতা এখন শুধু প্রযুক্তি খাতে নয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ও ব্যবসায়িক খাতেও অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। আগের চেয়ে এখন AI জানা ব্যক্তিদের চাহিদা বহুগুণ বেড়েছে, তাই এই প্রশিক্ষণ তরুণদের জন্য সময়োপযোগী উদ্যোগ।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং এবং কম্পিউটার ভিশনের মতো বিষয়ে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাবে। সঙ্গে থাকছে ChatGPT-সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় AI টুল ব্যবহার করার বাস্তব অভিজ্ঞতা। আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের একটি সার্টিফিকেট দেওয়া হবে, যা তাদের রেজুমেতে যুক্ত করলে চাকরির বাজারে আলাদা সুবিধা মিলবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই কর্মসূচির গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ জনগোষ্ঠী তরুণ, আর তাদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে AI-সম্পর্কিত ৯৭ মিলিয়ন নতুন চাকরি তৈরি হবে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে বাংলাদেশের তরুণদের এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সেই প্রস্তুতির প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
প্রশিক্ষণটি পরিচালনার জন্য দেশের খ্যাতনামা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ প্যানেল গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ৫০ জন করে শিক্ষার্থী নিয়ে হাতে-কলমে শেখাবেন। অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও অংশ নিতে পারে। আগ্রহীরা অনলাইনে নিবন্ধন করে কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ দেশের AI ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করবে। তারা বলেন, শুধু প্রশিক্ষণ নয়, প্রশিক্ষণ শেষে কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ব্যবস্থাও থাকা দরকার। এ ব্যাপারে আয়োজকরা জানিয়েছেন, তারা দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন, যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা সহজেই ইন্টার্নশিপ বা চাকরির সুযোগ পান। এতে করে তরুণদের মধ্যে AI নিয়ে নতুন উদ্যোম তৈরি হবে।
সব মিলিয়ে, দেশব্যাপী এই AI প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি বড় সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা এই প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন, তারা ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে নিজেদের অনেক এগিয়ে রাখতে পারবেন। এই কর্মসূচি সফল হলে আগামী দিনে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে AI-এর ব্যবহার আরও বাড়বে বলেই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews কৃত্রিম বুদ্ধি
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...